Tax and VAT Solution

Tax and VAT Solution Income Tax Practitioner ( ITP) and VAT Consultant certified from National Board of Revenue ( NBR).

কর কমিশনার পদে পদোন্নতি!
20/08/2026

কর কমিশনার পদে পদোন্নতি!

07/07/2026
ভ্যাটের সকল পেপার রিটার্ন e-VAT System এ এন্ট্রি করন সংক্রান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এর জরুরি নোটিশ:যারা মেনুয়াল কপি সা...
07/06/2026

ভ্যাটের সকল পেপার রিটার্ন e-VAT System এ এন্ট্রি করন সংক্রান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এর জরুরি নোটিশ:

যারা মেনুয়াল কপি সাবমিট করেছেন, কিন্তু অনলাইন এখনো সেই ম্যানুয়াল হার্ডকপি গুলো অনলাইনে আন্টি না করলে পহেলা জুলাই থেকে যে সমস্যায় পড়তে যাচ্ছেন:
✓আপনার ভেটের ক্লোজিং ব্যালেন্স মে ২০২৬ হতে ফ্রিজ হয়ে যাবে অর্থাৎ ওই ব্যালেন্সের উপর আপনার কোন আর দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না।

✓যেহেতু রিফান্ড দাবির ক্ষেত্রে শতভাগ অনলাইন রিটার্ন বাধ্যতামূলক, সেই ক্ষেত্রে তিনি আর রিফান্ড দাবি করতে পারবেন না।

সংকলনে, নুর আহমদ (দিদার)
সিনিয়র কর আইনজীবী এবং
ভ্যাট কনসালট্যান্ট
মোবা:০১৭৭৫৬০৯৯০৭
゚ #ব্যক্তিকরদাতা

নতুন বাজেটে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার সহজতর হচ্ছে, অর্থাৎ ভ্যাট অফিসের রিভিউ ছাড়া এবং তদন্ত ছাড়াই, ভ্যাটের রেজিস্...
06/06/2026

নতুন বাজেটে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার সহজতর হচ্ছে, অর্থাৎ ভ্যাট অফিসের রিভিউ ছাড়া এবং তদন্ত ছাড়াই, ভ্যাটের রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যাবে। ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনের বর্তমান প্রক্রিয়াটা অত্যন্ত আমলা তান্ত্রিক, যেখানে কোন জরুরী প্রয়োজনে ও সহজ ভাবে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনটা পাওয়া যায় না। রিভিউর নামে অনেক দীর্ঘ সময় লেগে যায়, অন্যদিকে রিভিউ মানে কি সেটা তো আমরা বুঝি!

যাই হোক তিন মাস অন্তর ভ্যাট রিটার্ন দেওয়ার বিষয়টা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ভালো হবে। বড় ব্যবসায়ীদেরকে অবশ্যই ডাটা এন্ট্রি গুলো মাসিক ভিত্তিতে করে ফেলাই বেটার হবে।

তবে, আমি মনে করি,
ভ্যাট ফাঁকি রোদে অডিট ভিত্তিক যে পদ্ধতি, সেইরকম একটা পদ্ধতি থাকলেই ভাল হয় এবং যেটা বৎসর ভিত্তিক সম্পন্ন করতে হবে। ফিল্ড লেভেলের হয়রানি মূলক তদন্ত পদ্ধতি গুলো, ব্যবসায়ীদের কে অস্বস্তিতে রাখে। তবে গোয়েন্দা ইউনিট সুনির্দিষ্ট তথ্যর ভিত্তিতে ভ্যাট ফাঁকি তদন্ত করতে করতে পারে।
#ব্যক্তিকরদাতা

মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের ৯টি বৈশিষ্ট্য:-------------------------------------------১) যতবার নতুন করে মূল্য সংযোজিত হবে ...
02/06/2026

মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের ৯টি বৈশিষ্ট্য:
-------------------------------------------
১) যতবার নতুন করে মূল্য সংযোজিত হবে ততবারই
অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন এর উপর ভ্যাট বা Value Added Tax (VAT)প্রযোজ্য হবে।

২) আদর্শ ভ্যাট হার ১৫%। বাংলাদেশের মূল্য সংযোজন করের এই হারটি বেশিরভাগ পণ্য ও সেবার উপর প্রযোজ্য। তবে আইনের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে হ্রাসকৃত হার প্রযোজ্য যেমন ১০%, ৭.৫%, ৫%, ২.৪%, ২%, ১.৫% বা ০%। সর্বশেষ এসআরও অনুযায়ী,বিস্কুট ও কেকের উপর ভ্যাট হার ৭.৫% নির্ধারণ করা হয়েছে। SRO No-52-Law/2026/VAT, dated ১৫/০২/২০২৬ অনুযায়ী এলপি গ্যাসের আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ৭.৫% নির্ধারণ করা হয়েছে। হোটেল ও রেস্তোরাঁ, মোটর গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপ, মিষ্টির দোকান, রেডিমেড গার্মেন্টসের পুরাতন ভ্যাট হার পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।

৩) ভ্যাট হলো ভোক্তা কর: ভ্যাট মূলত একটি ভোক্তা কর (Consumer Tax), যা চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর আরোপিত হয়। যদিও আইনগতভাবে পণ্য বা সেবার সরবরাহকারী (Supplier) কর আদায় ও জমা দেওয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত, কিন্তু আসলে এই করের বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তার ওপরেই বর্তায়। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৩ এবং ধারা ৫ অনুযায়ী, সরবরাহকারী করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে ভ্যাট আদায় ও সরকারি কোষাগারে জমা দেয়, কিন্তু এটি পণ্য বা সেবার মূল্যের সাথে ভোক্তার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। ফলে ভ্যাটের চূড়ান্ত বোঝা ভোক্তার ওপরেই পড়ে।

৪) পরোক্ষ কর: ভ্যাট একটি পরোক্ষ কর (Indirect Tax)। পরোক্ষ কর হলো সেই কর যা সরকার সরাসরি করদাতার কাছ থেকে নয়, বরং পণ্য বা সেবার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারীর দ্বারা আদায় করে। এটি সরাসরি কর (Direct Tax) যেমন আয়কর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১)-এ "সরবরাহ" (Supply) সংজ্ঞায়িত হয়েছে এবং ধারা ৩ অনুযায়ী পণ্য বা সেবার সরবরাহের উপর ভ্যাট আরোপিত হয়। ব্যবসায়ীরা পণ্য বা সেবা বিক্রির সময় ভ্যাট আদায় করে সরকারকে জমা দেয়, ফলে করদাতা ও কর প্রদানকারী ভিন্ন ব্যক্তি হয়।

৫) রেয়াত ব্যবস্থা কার্যকর: ভ্যাট ব্যবস্থার অন্যতম মূল বৈশিষ্ট্য হলো রেয়াত ব্যবস্থা বা ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট (Input Tax Credit) পদ্ধতি। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৪৬ এবং ধারা ৪৭ অনুযায়ী, নিবন্ধিত ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ক্রয়কৃত পণ্য বা সেবার উপর প্রদত্ত ভ্যাট (Input VAT) তাদের বিক্রয়ের উপর আদায়কৃত ভ্যাট (Output VAT) থেকে বিয়োগ করতে পারেন। তবে শুধুমাত্র ১৫% হারের ইনপুট ভ্যাট চালানের বিপরীতে রেয়াত গ্রহণযোগ্য। হ্রাসকৃত হারের (যেমন ৫%, ৭.৫%, ১০%) ইনপুট ভ্যাট রেয়াতযোগ্য নয়। এর ফলে প্রতিটি সরবরাহ পর্যায়ে শুধুমাত্র মূল্য সংযোজনের উপরই কর প্রযোজ্য হয়, এবং দ্বৈত করারোপ (Double Taxation) এড়ানো যায়। তবে রেয়াত গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট চালান (Tax Invoice) সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়।

৬) অডিট বেস সিস্টেম: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৮৫, ৮৬ এবং ৮৭ অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বা মনোনীত কর কর্মকর্তারা নিবন্ধিত ব্যবসায়ীদের হিসাবপত্র, রেকর্ড, চালান, রিটার্ন এবং অন্যান্য নথিপত্র যাচাই-বাছাই (Audit) করতে পারেন। অডিটের উদ্দেশ্যে করদাতাকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি সরবরাহ করতে হয়। ধারা ৮৮ অনুযায়ী অডিটের মাধ্যমে যদি কোনো অতিরিক্ত কর বা জরিমানা নির্ধারিত হয়, তবে করদাতাকে তা পরিশোধ করতে হয়। সর্বশেষ ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স, ২০২৫ (Ordinance No. 28 of 2025) অনুযায়ী জরিমানার পরিমাণও সংশোধিত হয়েছে যেমন চালান না দেওয়ার জন্য জরিমানা ১০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা নিশ্চিত করে যে ব্যবসায়ীরা সঠিকভাবে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করছেন এবং নির্ধারিত কর সঠিকভাবে জমা দিচ্ছেন।

৭) একাউন্ট বেস সিস্টেম: ভ্যাট ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে একাউন্ট বেসড বা হিসাবনির্ভর (Accounts-based System)। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪, ৬৫ এবং ৬৬ অনুযায়ী প্রতিটি নিবন্ধিত ব্যবসায়ীকে নির্দিষ্ট হিসাবপত্র ও নথি সংরক্ষণ করতে হয়, যার মধ্যে রয়েছে ক্রয়-বিক্রয় রেজিস্টার, চালান বই (Tax Invoice), ক্রেডিট নোট, ডেবিট নোট, মাশুল বই (Mushak) এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি। ধারা ৬৪ অনুযায়ী প্রতিটি সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট চালান ইস্যু করতে হয়, যাতে সরবরাহকারী ও গ্রহীতার তথ্য, পণ্য/সেবার বিবরণ, পরিমাণ, মূল্য এবং ভ্যাটের পরিমাণ উল্লেখ থাকে। এই হিসাবপত্র ও চালান পরবর্তীতে মাসিক রিটার্ন দাখিল যাহা অডিটের ভিত্তি হয়।

৮) স্বচ্ছতা ও হিসাববক্ষণ বিধান: ভ্যাট ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর স্বচ্ছতা (Transparency) এবং কঠোর হিসাববক্ষণ বিধান (Bookkeeping Provisions)। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪ থেকে ৬৭ পর্যন্ত বিস্তারিতভাবে হিসাব সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। প্রতিটি লেনদেনের জন্য নির্দিষ্ট চালান ইস্যু করা বাধ্যতামূলক, যা পরবর্তীতে যাচাইযোগ্য। ধারা ৬৫ অনুযায়ী ক্রয় ও বিক্রয় রেজিস্টার সংরক্ষণ করতে হয়, ধারা ৬৬ অনুযায়ী চালান বই ও মাশুল বই সংরক্ষণ করতে হয়, এবং ধারা ৬৭ অনুযায়ী এইসব নথি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত (সাধারণত ৫ বছর) সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক। সর্বশেষ ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স, ২০২৫ অনুযায়ী নথি না রাখার জন্য জরিমানা ১০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিধানসমূহ ভ্যাট ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করে তোলে।

৯) রেগ্রেসিভ প্রকৃতি (ক্ষেত্র বিশেষে): সাধারণভাবে ভ্যাটকে রেগ্রেসিভ কর (Regressive Tax) হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ এটি সম্পদের পরিমাণ বা আয়ের হার নির্বিশেষে সবার উপর একই হারে প্রযোজ্য। নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ভ্যাতের বোঝা তাদের মোট আয়ের তুলনায় অনেক বেশি হয়, যেখানে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের জন্য এটি তুলনামূলকভাবে কম। তবে বাংলাদেশের ভ্যাট আইনে কিছু ক্ষেত্র বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে যা এই রেগ্রেসিভ প্রকৃতি কিছুটা প্রশমিত করে যেমন অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী পণ্যের উপর সম্পূরক শুল্ক (Supplementary Duty) আরোপ, অপরিহার্য পণ্য ও সেবায় শূন্য হারে ভ্যাট বা ভ্যাট অব্যাহতি প্রদান। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর তফসিল-১ এবং তফসিল-২-এ এই বিভিন্ন হার ও অব্যাহতির বিধান বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা আছে। সর্বশেষ বিভিন্ন এসআরও (যেমন SRO No-158 থেকে SRO No-182-Ain/2025, dated ০২/০৬/২০২৫) অনুযায়ী বিভিন্ন পণ্য ও শিল্পের জন্য ভ্যাট অব্যাহতি ও সম্পূরক শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা কিছুটা হলেও রেগ্রেসিভ প্রকৃতি প্রশমিত করে। ফলে ক্ষেত্র বিশেষে ভ্যাট ব্যবস্থা কিছুটা প্রগ্রেসিভ (Progressive) রূপ ধারণ করতে পারে, যদিও মৌলিকভাবে এটি রেগ্রেসিভ প্রকৃতির।

সংকলনে,
নুর আহমদ (দিদার)
সিনিয়র কর আইনজীবী
এবং ভ্যাট কনসালটেন্ট
#ব্যক্তিকরদাতা ゚

01/06/2026

বিষয়: ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কর মেয়াদ সাধারণত এক মাস, কিন্তু কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের জন্য সেই কর মেয়াদ ছয় মাস, তবে কিছু শর্ত রয়েছে!

ভিডিও সংকলনে,
নুর আহমদ (দিদার)
সিনিয়র কর আইনজীবী
এবং ভ্যাট কনসালটেন্ট
মোবা: ০১৭৭৫৬০৯৯০৭
#ব্যক্তিকরদাতা

27/05/2026

বিষয়: কোরবানির ঈদের গরু ক্রয়, একটি পারিবারিক খরচ হিসেবে, আয়কর রিটার্নে প্রতিফলনের আইনগত আবশ্যকতা এবং করদায়ের উপর কি প্রভাব ফেলতে পারে!!

যদি সম্পদের বাৎসরিক পরিবৃদ্ধি +মোট পারিবারিক খরচ > কর যোগ্য +অব্যাহতি প্রাপ্ত আয় হয়, সেক্ষেত্রে পার্থক্য টুকু আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা- ৬৭(৩) অনুসারে অন্যান্য আয়ের বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে গণ্য হবে।

ভিডিও সংকলনে,
নুর আহমদ (দিদার)
সিনিয়র কর আইনজীবী
এবং ভ্যাট কনসালটেন্ট
মোবা: ০১৭৭৫৬০৯৯০৭
YouTube:
#ব্যক্তিকরদাতা ゚

Address

Road No-1, Mosjid Market, CDA R/A, Agrabad, Chattogram
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax and VAT Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share