Tax Solution

Tax Solution Your trusted Partner for all Tax & VAT related Services.

ব‍্যবসায় টার্নওভার করের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাবঃসরকার ব্যবসায় লাভ-লোকসান নির্বিশেষে মোট বিক্রির বা টার্নওভারের ওপর কর ন...
13/08/2026

ব‍্যবসায় টার্নওভার করের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাবঃ

সরকার ব্যবসায় লাভ-লোকসান নির্বিশেষে মোট বিক্রির বা টার্নওভারের ওপর কর ন্যূনতম ১ শতাংশ কর আরোপ করায় ঝামেলায় পড়তে পারেন ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই করের হার কম-বেশি করা হয়েছে। এই কর আয়করের পরিবর্তে বার্ষিক মোট লেনদেনের ওপর বসবে। তাই এই টার্নওভার কর নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে ।

ব্যবসায়ীদের কেন এই অসন্তোষ, তা নিয়ে আলোচনা করা যাক-

১. মুনাফা না হলেও করের বোঝা

আয়কর দিতে হয় ব্যবসার প্রকৃত আয়ের ওপর বা মুনাফার ওপর। কিন্তু টার্নওভার কর কাটা হয় মোট বিক্রি বা প্রাপ্তির ওপর। মোটাদাগে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বছরজুড়ে পণ্য বা সেবা বেচাকেনায় কত টাকা লেনদেন হলো, এর ওপরেই টার্নওভার কর বসে। যেখানে ব্যবসার লাভ হলো নাকি লোকসান হলো, তা বিবেচনা করা হয় না। ফলে লোকসানি বা কম লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো বড় অঙ্কের করের মুখে পড়বে।

২. হঠাৎ করদায়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি

প্রকৃত লাভের ওপর হিসাব করলে যেখানে নামমাত্র কর আসার কথা, সেখানে বাধ্যতামূলক টার্নওভার করের কারণে করের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যাচ্ছে। এটি করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত আইনি ও আর্থিক চাপ তৈরি করছে।

৩. নগদ প্রবাহ বা ক্যাশ ফ্লো সংকট

ব্যবসায় অর্থের নগদ প্রবাহ থাকা খুব জরুরি। কিন্তু দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) নিয়মিত মূলধন ও নগদ অর্থের প্রবাহ সীমিত থাকে। বিক্রির ওপর ভিত্তি করে এই কর পরিশোধ করতে গিয়ে দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হবে। নগদ অর্থের প্রবাহ কমে যাবে।

৪. শর্ত মানা ব্যবসায়ীদের নিরুৎসাহিত করা

ভালো ব্যবসায়ীদের অনেকেই টার্নওভার করে নিরুৎসাহিত হবেন। কারণ, যাঁরা নিয়মিত সঠিক হিসাব রাখেন; স্বচ্ছভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন, তাঁদের অনেকেই এই টার্নওভার করে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই ব্যবস্থা অনেক সৎ ব্যবসায়ীকে নিরুৎসাহিত করে এবং বিনিয়োগের পরিবেশকে সংকুচিত করবে।

নেতিবাচক প্রভাবঃ

টার্নওভার করের বোঝার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে কিছু নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যেমন—

১. ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি কমতে পারে কিংবা গতি কমতে পারে।

২. বাড়তি কর দায়ের কারণে বিনিয়োগে অনীহার শঙ্কা রয়েছে।

৩. ব্যবসা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

৪. উদ্যোক্তাদের ওপর একধরনের চাপ তৈরি হয়, তাকে বেশি কর দিতে হবে; যা মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দেবে।

৫. অর্থনীতির সামগ্রিক অগ্রগতি ব্যাহত হবে।

তাই সরকারের কাছে আমার প্রত্যাশা থাকবে টার্নওভার করের বিষয়টি আরও সুক্ষভাবে পর্যালোচনা করে করের হার পূর্নবিবেচনা করে ক্ষুদ্র ব‍্যবসায়ীদের স্বস্তি দিবে।

ধন‍্যবাদান্তে

মাহফুজুল করিম
কর আইনজীবী

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ৫% পর্যন্ত কর প্রণোদনা😮😮
10/08/2026

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ৫% পর্যন্ত কর প্রণোদনা😮😮

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিই হতে পারে আপনার কর রেয়াত সুযোগ!!!⏳ ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে বিনিয়োগ করুন, আয়কর রেয়াত নিশ্চিত করুন...
24/06/2026

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিই হতে পারে আপনার কর রেয়াত সুযোগ!!!

⏳ ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে বিনিয়োগ করুন, আয়কর রেয়াত নিশ্চিত করুন।

আপনি যদি একজন ব্যক্তি করদাতা হন, তাহলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৭৮ এবং ষষ্ঠ তফসিলের তৃতীয় অংশ অনুযায়ী নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ বা ব্যয় করে কর রেয়াত (Tax Rebate) সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।

কেন ৩০ জুন এত গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশে করবর্ষ শেষ হয় ৩০ জুন। তাই কর রেয়াত পাওয়ার জন্য নির্ধারিত খাতে সকল বিনিয়োগ ও ব্যয় ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।

৩০ জুনের পর সম্পাদিত কোনো বিনিয়োগ বা ব্যয় চলতি করবর্ষের কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে না।

কোন কোন খাতে বিনিয়োগ বা ব্যয় করলে কর রেয়াত পাওয়া যাবে?

(ষষ্ঠ তফসিল, তৃতীয় অংশ অনুযায়ী)

✅ সরকারি সিকিউরিটিজ (সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত)

✅ মিউচুয়াল ফান্ড / ইউনিট সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত)

✅ ডিপোজিট পেনশন স্কিম (DPS)

* মাসিক সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা
* বাৎসরিক সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা

✅ স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও বন্ড

✅ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে দান

✅ যাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত দাতব্য তহবিলে দান

✅ জীবন বীমার প্রিমিয়াম

✅ স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল (Recognized Provident Fund)-এ প্রদত্ত অর্থ

✅ সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড, কল্যাণ তহবিলসহ আইনসম্মত অন্যান্য নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ ও ব্যয়

আপনি কতটুকু কর রেয়াতের সুবিধা পাবেন?

(আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৭৮ অনুযায়ী)

রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগ ও ব্যয়ের সীমা নির্ধারণে নিম্নের তিনটির মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন হবে তা বিবেচিত হবে—

1️⃣ মোট আয়ের ৩%
(কর অব্যাহতি প্রাপ্ত, হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এবং ন্যূনতম করের আওতাভুক্ত আয় ব্যতীত)

2️⃣ মোট অনুমোদিত বিনিয়োগ ও ব্যয়ের ১৫%

3️⃣ সর্বোচ্চ ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকা

📢 গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

🔹 বিনিয়োগ ও ব্যয়ের সকল প্রমাণপত্র (রশিদ, সনদ, স্টেটমেন্ট ইত্যাদি) সংরক্ষণ করুন।

🔹 প্রয়োজন অনুসারে আয়কর রিটার্নের সাথে এসব প্রমাণপত্র দাখিল করতে হতে পারে।

🔹 করবর্ষ শেষ হওয়ার আগেই বিনিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে; অন্যথায় কর রেয়াতের সুবিধা পাওয়া যাবে না।

📞 Tax Solution-এর পরামর্শ

করবর্ষ শেষ হওয়ার আগেই আপনার কর পরিকল্পনা সম্পন্ন করুন। নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ করে আইনসম্মত কর রেয়াতের সুবিধা গ্রহণ করুন।

বর্তমান বিধান অনুযায়ী ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর ২০২৬। তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের জন্য সকল বিনিয়োগ ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।

সঠিক কর পরিকল্পনা ও পেশাদার পরামর্শের জন্য এক্সপার্টদের সাথে যোগাযোগ করুন।

👍 আমাদের পেজ Tax Solution ফলো করুন এবং কর বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

মাহফুজুল করিম
কর আইনজীবী
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

#আয়করআইন২০২৩ #কররেয়াত #বিনিয়োগ #৩০জুন২০২৬

📢 করদাতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট: বিনিয়োগে করছাড়ের সুবিধা কমেছে২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগজনিত কর রেয়...
16/06/2026

📢 করদাতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট: বিনিয়োগে করছাড়ের সুবিধা কমেছে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত (Tax Rebate) সুবিধা আগের তুলনায় কমানো হয়েছে। এখন থেকে বিনিয়োগের ১৫% নয়, ১০% কর রেয়াতের জন্য গণনা করা হবে। পাশাপাশি কর রেয়াতের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ লাখ টাকা করা হয়েছে।

🔹 আগে:
• করযোগ্য আয়ের ৩%
• মোট বিনিয়োগের ১৫%
• সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা
— এই তিনটির মধ্যে যেটি কম, সেটিই ছিল কর রেয়াত।

🔹 এখন:
• করযোগ্য আয়ের ৩%
• মোট বিনিয়োগের ১০%
• সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ লাখ টাকা
— এই তিনটির মধ্যে যেটি কম, সেটিই হবে কর রেয়াত।

📌 অর্থাৎ একই পরিমাণ করছাড় পেতে এখন আগের চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে, বিশেষ করে উচ্চ আয়ের করদাতাদের জন্য।

✅ কর রেয়াত পাওয়ার জনপ্রিয় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে:

* সঞ্চয়পত্র
* ডিপিএস (DPS)
* শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ
* জীবনবিমা
* প্রভিডেন্ট ফান্ড
* মিউচুয়াল ফান্ড ও ডিবেঞ্চারসহ অন্যান্য অনুমোদিত বিনিয়োগ খাত।

💡 কর পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ কৌশল নতুন নিয়ম অনুযায়ী পুনর্বিবেচনা করার এখনই সময়।

ধন্যবাদ সবাইকে।

মাহফুজুল করিম
কর আইনজীবী
চট্টগ্রাম ট‍্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন

#কর #আয়কর #ট্যাক্সরিটার্ন #করছাড় #বিনিয়োগ #বাজেট২০২৬_২৭

📢 বাজেট ২০২৬-২৭: করদাতাদের জন্য বড় পরিবর্তন! 💸নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য এসেছে বেশ কিছু গুরু...
12/06/2026

📢 বাজেট ২০২৬-২৭: করদাতাদের জন্য বড় পরিবর্তন! 💸

নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য এসেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপডেট। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীদের জন্য এটি জানা অত্যন্ত জরুরি!

প্রধান দুটি পরিবর্তন একনজরে দেখে নিন:

📈 ১. করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি:

সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা বর্তমান ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

(নারী ও ৬৫ ঊর্ধ্ব করদাতাদের জন্য এই সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা)। তবে মাথায় রাখবেন, ৫% করের স্ল্যাবটি এবার থাকছে না, ফলে করের হিসাব-নিকাশে কিছুটা পরিবর্তন আসবে।

⏰ ২. সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন (Early Bird ডিসকাউন্ট!):

এখন থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে সারা বছরই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। তবে যত দ্রুত দেবেন, তত লাভ!

🔹 জুলাই-সেপ্টেম্বর (প্রথম কোয়ার্টার): রিটার্ন দিলে প্রদেয় করের ওপর ৫% বা ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করছাড় (Rebate) পাবেন!

🔸 অক্টোবর-ডিসেম্বর: সাধারণ নিয়মে ট্যাক্স দিতে হবে, কোনো ছাড় বা জরিমানা নেই।

⚠️ জানুয়ারি-মার্চ এবং এপ্রিল-জুন: দেরিতে জমা দিলে উল্টো অতিরিক্ত ২% থেকে ৫% পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হতে পারে।

তাহলে বুদ্ধিমানের কাজ কী?
দেরি না করে অর্থবছরের শুরুতেই (জুলাই-সেপ্টেম্বরের মধ্যে) রিটার্ন প্রস্তুত করে করছাড়ের পুরো সুবিধা লুফে নেওয়া!

নতুন এই নিয়মে আপনার কর কত আসবে? কিংবা কীভাবে প্রথম কোয়ার্টারেই রিটার্ন জমা দিয়ে সর্বোচ্চ ছাড় পাবেন—তা নিয়ে চিন্তিত?

আপনার ট্যাক্স প্ল্যানিং সহজ করতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন এবং নিশ্চিন্তে সঠিক সময়ে ট্যাক্স ফাইল করুন।💼✨

ধন্যবাদ সবাইকে

মাহফুজুল করিম
কর আইনজীবী
চট্টগ্রাম ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন

08/06/2026

🚨 কর সাশ্রয়ের শেষ সুযোগ!

⏳ ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে বিনিয়োগ করুন, আয়কর রেয়াত নিশ্চিত করুন।

আপনি যদি একজন ব্যক্তি করদাতা হন, তাহলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৭৮ এবং ষষ্ঠ তফসিলের তৃতীয় অংশ অনুযায়ী নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ বা ব্যয় করে কর রেয়াত (Tax Rebate) সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।

কেন ৩০ জুন এত গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশে করবর্ষ শেষ হয় ৩০ জুন। তাই কর রেয়াত পাওয়ার জন্য নির্ধারিত খাতে সকল বিনিয়োগ ও ব্যয় ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।

৩০ জুনের পর সম্পাদিত কোনো বিনিয়োগ বা ব্যয় চলতি করবর্ষের কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে না।

কোন কোন খাতে বিনিয়োগ বা ব্যয় করলে কর রেয়াত পাওয়া যাবে?

(ষষ্ঠ তফসিল, তৃতীয় অংশ অনুযায়ী)

✅ সরকারি সিকিউরিটিজ (সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত)

✅ মিউচুয়াল ফান্ড / ইউনিট সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত)

✅ ডিপোজিট পেনশন স্কিম (DPS)

* মাসিক সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা
* বাৎসরিক সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা

✅ স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও বন্ড

✅ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে দান

✅ যাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত দাতব্য তহবিলে দান

✅ জীবন বীমার প্রিমিয়াম

✅ স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল (Recognized Provident Fund)-এ প্রদত্ত অর্থ

✅ সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড, কল্যাণ তহবিলসহ আইনসম্মত অন্যান্য নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ ও ব্যয়

আপনি কতটুকু কর রেয়াতের সুবিধা পাবেন?

(আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৭৮ অনুযায়ী)

রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগ ও ব্যয়ের সীমা নির্ধারণে নিম্নের তিনটির মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন হবে তা বিবেচিত হবে—

1️⃣ মোট আয়ের ৩%
(কর অব্যাহতি প্রাপ্ত, হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এবং ন্যূনতম করের আওতাভুক্ত আয় ব্যতীত)

2️⃣ মোট অনুমোদিত বিনিয়োগ ও ব্যয়ের ১৫%

3️⃣ সর্বোচ্চ ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকা

📢 গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

🔹 বিনিয়োগ ও ব্যয়ের সকল প্রমাণপত্র (রশিদ, সনদ, স্টেটমেন্ট ইত্যাদি) সংরক্ষণ করুন।

🔹 প্রয়োজন অনুসারে আয়কর রিটার্নের সাথে এসব প্রমাণপত্র দাখিল করতে হতে পারে।

🔹 করবর্ষ শেষ হওয়ার আগেই বিনিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে; অন্যথায় কর রেয়াতের সুবিধা পাওয়া যাবে না।

📞 Tax Solution-এর পরামর্শ

করবর্ষ শেষ হওয়ার আগেই আপনার কর পরিকল্পনা সম্পন্ন করুন। নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ করে আইনসম্মত কর রেয়াতের সুবিধা গ্রহণ করুন।

বর্তমান বিধান অনুযায়ী ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর ২০২৬। তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের জন্য সকল বিনিয়োগ ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।

সঠিক কর পরিকল্পনা ও পেশাদার পরামর্শের জন্য এক্সপার্টদের সাথে যোগাযোগ করুন।

👍 আমাদের পেজ Tax Solution ফলো করুন এবং কর বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

মাহফুজুল করিম
কর আইনজীবী
চট্টগ্রাম ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন

#আয়করআইন২০২৩ #কররেয়াত #বিনিয়োগ #৩০জুন২০২৬

স্বাভাবিক ব্যক্তি (Individual Taxpayer) এবং হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের জন্য ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় ৩১ ...
26/02/2026

স্বাভাবিক ব্যক্তি (Individual Taxpayer) এবং হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের জন্য ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

💰 আয়কর আইন, ২০২৩: ধারাবাহিক আলোচনা - ১৬তম পর্বপ্রিয় ফলোয়ারবৃন্দ,আয়কর আইন, ২০২৩ নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আলোচনার আজকের পর্বে...
26/01/2026

💰 আয়কর আইন, ২০২৩: ধারাবাহিক আলোচনা - ১৬তম পর্ব

প্রিয় ফলোয়ারবৃন্দ,

আয়কর আইন, ২০২৩ নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আলোচনার আজকের পর্বে আমরা করদাতার জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক একটি বিষয়— 'কর প্রত্যর্পণ' (Tax Refund) এবং কর বিভাগের বিশেষ ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধানাবলী নিয়ে আলোচনা করব। আজকের আলোচনার বিষয় ধারা ২২৩ থেকে ২২৯।

🎯 আলোচ্য বিষয়: ধারা ২২৩ থেকে ২২৯ - কর প্রত্যর্পণ ও বিশেষ ক্রোক

ধারা ২২৩: সম্পত্তির অন্তর্বর্তীকালীন অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোকঃ

যদি কর কর্তৃপক্ষ মনে করেন যে, কর আদায়ের স্বার্থে কোনো করদাতার সম্পত্তি রক্ষা করা জরুরি, তবে কর নির্ধারণী কার্যক্রম চলাকালীনই তারা সাময়িকভাবে ওই ব্যক্তির সম্পত্তি অবরুদ্ধ বা ক্রোক (Provisional Attachment) করতে পারেন। এটি মূলত কর ফাঁকি দিয়ে সম্পত্তি সরিয়ে ফেলা রোধ করতে করা হয়।

ধারা ২২৪ ও ২২৬: প্রত্যর্পণের অধিকার ও দাবি (Right & Claim of Refund)

* ধারা ২২৪: যদি কোনো করদাতা তার প্রকৃত কর দায়ের চেয়ে বেশি টাকা পরিশোধ করেন (উৎস কর বা অগ্রিম করের মাধ্যমে), তবে অতিরিক্ত টাকা ফেরত বা 'প্রত্যর্পণ' পাওয়ার আইনগত অধিকার তার রয়েছে।

* ধারা ২২৬: এই অতিরিক্ত টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য করদাতাকে নির্দিষ্ট ফরমে ও পদ্ধতিতে 'প্রত্যর্পণ দাবি' পেশ করতে হয় (সাধারণত রিটার্ন দাখিলের মাধ্যমেই এটি করা যায়)।

ধারা ২২৫ ও ২২৯: দাবি সমন্বয় ও আদেশের ভিত্তিতে ফেরতঃ

* ধারা ২২৫: আপনার কোনো টাকা রিফান্ড থাকলে, কর বিভাগ চাইলে আপনার অন্য কোনো বছরের বকেয়া করের সাথে তা সমন্বয় করতে পারে।

* ধারা ২২৯: যদি আপিল বা ট্রাইব্যুনালের আদেশের ফলে আপনার কর কমে যায় এবং আপনি বেশি টাকা জমা দিয়ে থাকেন, তবে সেই আদেশের ভিত্তিতে অতিরিক্ত টাকা আপনাকে ফেরত দিতে হবে।

ধারা ২২৭: মৃত বা অক্ষম ব্যক্তির পক্ষে প্রত্যর্পণ দাবিঃ

যদি কোনো করদাতা মারা যান বা মানসিক/শারীরিক অক্ষমতার কারণে রিফান্ড দাবি করতে না পারেন, তবে তার আইনগত প্রতিনিধি বা উত্তরাধিকারী তার পক্ষ থেকে এই টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি করতে পারবেন।

৫. ধারা ২২৮: কর নির্ধারণের সঠিকতা নিয়ে প্রশ্নঃ

প্রত্যর্পণ বা রিফান্ড দাবির সময় কর নির্ধারণের (Assessment) মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না। অর্থাৎ, অ্যাসেসমেন্ট চূড়ান্ত হয়ে গেলে কেবল গাণিতিক হিসাব বা অতিরিক্ত পরিশোধিত টাকার দাবিই গ্রহণযোগ্য হবে।

💡 করদাতার জন্য টিপস:

অনেকেই রিফান্ড বা প্রত্যর্পণের টাকা ফেরত পেতে ঝামেলা মনে করেন। কিন্তু আপনি যদি সঠিক সময়ে রিটার্নে রিফান্ড ক্লেইম করেন এবং প্রয়োজনীয় চালানের কপি বা উৎস কর কর্তনের সনদ জমা দেন, তবে ধারা ২২৫ অনুযায়ী পরবর্তী বছরের করের সাথে এই টাকা সমন্বয় করা অনেক সহজ। এতে আপনার নগদ অর্থ সাশ্রয় হয়।

আপনার কি কোনো রিফান্ড বা প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত সমস্যা আছে? আমাদের কমেন্টে জানান! 👇

আয়কর সংক্রান্ত সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে Tax Solution ফেইজটি ফলো করুন।

ধন্যবাদ সবাইকে

মাহফুজুল করিম
কর আইনজীবী

#আয়করআইন২০২৩
#ট্যাক্সরিফান্ড #করপ্রত্যর্পণ
#ধারা২২৪ #ট্যাক্সসলিউশন

⚖️ আয়কর আইন, ২০২৩: ধারাবাহিক আলোচনা - ১৫তম পর্বপ্রিয় ফলোয়ারবৃন্দ,আয়কর আইন, ২০২৩ নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আলোচনার আজকের পর্ব...
19/01/2026

⚖️ আয়কর আইন, ২০২৩: ধারাবাহিক আলোচনা - ১৫তম পর্ব

প্রিয় ফলোয়ারবৃন্দ,

আয়কর আইন, ২০২৩ নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আলোচনার আজকের পর্বে আমরা কর প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী অধ্যায়— 'কর আদায় ও রিকভারি' (Recovery of Tax) সংক্রান্ত বিধানাবলী নিয়ে আলোচনা করব। কর নির্ধারিত হওয়ার পর তা পরিশোধ না করলে বিভাগ কী কী ব্যবস্থা নিতে পারে, তা ধারা ২১৪ থেকে ২২২-এ বিস্তারিত বলা হয়েছে।

🎯 আলোচ্য বিষয়: ধারা ২১৪ থেকে ২২২ - কর আদায়ের পদ্ধতিসমূহ

১. ধারা ২১৪: দাবির নোটিশ (Notice of Demand)

যখন কোনো করদাতার ওপর কর, জরিমানা বা সুদ ধার্য করা হয়, তখন উপকর কমিশনার ধারা ২১৪ অনুযায়ী একটি 'দাবির নোটিশ' জারি করেন। এই নোটিশে কর পরিশোধের সময়সীমা ও পদ্ধতি উল্লেখ থাকে।

২. ধারা ২১৫: সরাসরি আদায় ও প্রত্যর্পণ

এই ধারায় করদাতার কাছ থেকে সরাসরি কর আদায় এবং যদি করদাতা পাওনা টাকার বেশি পরিশোধ করে থাকেন, তবে তা প্রত্যর্পণ (Refund) বা পরবর্তী দায়ের সাথে সমন্বয়ের বিধান রয়েছে।

৩. ধারা ২১৬ ও ২১৭: সার্টিফিকেট পদ্ধতি ও রিকোভারি অফিসার

* ধারা ২১৬: করদাতা বকেয়া কর পরিশোধে ব্যর্থ হলে উপকর কমিশনার বকেয়া টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে একটি 'সার্টিফিকেট' জারি করেন।

* ধারা ২১৭: ট্যাক্স রিকোভারি অফিসার (TRO) এই সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে ৪টি পদ্ধতিতে কর আদায় করতে পারেন:
* করদাতার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়।
* করদাতাকে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা।
* রিসিভার নিয়োগ।
* ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা।

৪. ধারা ২১৮ ও ২১৯: সার্টিফিকেটের আইনি ভিত্তি

* ধারা ২১৮: বিশেষ প্রয়োজনে ট্যাক্স রিকোভারি অফিসার সার্টিফিকেট প্রত্যাহার করতে পারেন বা আদায়ের কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারেন।

* ধারা ২১৯: কর আদায়ের সার্টিফিকেট জারি হয়ে গেলে এর বৈধতা নিয়ে কোনো দেওয়ানি আদালতে বা অন্য কোথাও প্রশ্ন তোলা যাবে না।

৫. ধারা ২২০, ২২১ ও ২২২: আদায়ের অন্যান্য মাধ্যম

* ধারা ২২০: প্রয়োজনে জেলা কালেক্টরের (DC) মাধ্যমে ভূমি রাজস্বের মতো বকেয়া কর আদায় করা যায়।

* ধারা ২২১: নিয়োগকর্তার মাধ্যমে বেতন থেকে কর্তন বা করদাতার দেনাদারের কাছ থেকে সরাসরি আদায়ের মতো বিকল্প পদ্ধতি।

* ধারা ২২২ (যুগপৎ ব্যবস্থা): কর বিভাগ চাইলে একসাথে একাধিক পদ্ধতিতে (যেমন: ব্যাংক ফ্রিজ ও সম্পত্তি ক্রোক) কর আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবে।

💡 করদাতার জন্য টিপস:
দাবির নোটিশ (Notice of Demand) পাওয়ার পর অবহেলা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর পরিশোধ করা অথবা কোনো আপত্তি থাকলে যথাযথ আপিল করা বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ একবার সার্টিফিকেট ইস্যু হয়ে গেলে রিকোভারি অফিসারের হাত থেকে রেহাই পাওয়া বেশ জটিল ও সম্মানহানিকর হতে পারে।

বকেয়া কর আদায় বা ক্রোক সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান। 👇

আয়কর সংক্রান্ত সব আপডেট পেতে Tax Solution ফেইজটি ফলো করে সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদ সবাইকে

মাহফুজুল করিম
কর আইনজীবী

#আয়করআইন২০২৩ #করআদায় #ট্যাক্সরিকোভারি #ধারা২১৪ #ট্যাক্সসলিউশন

🔍 আয়কর আইন, ২০২৩: ধারাবাহিক আলোচনা - ১৪তম পর্বপ্রিয় ফলোয়ারবৃন্দ,আয়কর আইন, ২০২৩ নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আলোচনার আজকের পর্বে...
12/01/2026

🔍 আয়কর আইন, ২০২৩: ধারাবাহিক আলোচনা - ১৪তম পর্ব

প্রিয় ফলোয়ারবৃন্দ,

আয়কর আইন, ২০২৩ নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আলোচনার আজকের পর্বে আমরা কর কর্তৃপক্ষের অত্যন্ত শক্তিশালী কিছু প্রশাসনিক ক্ষমতা— 'জরিপ, তল্লাশি ও জব্দ' সংক্রান্ত বিধানাবলী নিয়ে আলোচনা করব। আজকের আলোচনার বিষয় ধারা ২০৫ থেকে ২১০।

🎯 আলোচ্য বিষয়: ধারা ২০৫ থেকে ২১০ - পরিদর্শন, তল্লাশি ও জব্দকরণ

১. ধারা ২০৫: জরিপের ক্ষমতা (Power of Survey)

এই ধারার অধীনে কর কর্তৃপক্ষ যেকোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা স্থানে প্রবেশ করে সেখানকার আয়-ব্যয় সংক্রান্ত নথিপত্র পরীক্ষা করতে পারেন। তারা নগদ অর্থ, স্টক বা ইনভেন্টরি যাচাই করতে পারেন এবং প্রয়োজনে যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারেন।

২. ধারা ২০৬: তল্লাশি ও জব্দ করিবার ক্ষমতা (Power of Search and Seizure)

যদি কর কর্তৃপক্ষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য থাকে যে কোনো করদাতা তার আয় বা সম্পদ গোপন করছেন, তবে এই ধারার অধীনে তারা ওই ব্যক্তির বাড়ি, অফিস বা যেকোনো স্থানে তল্লাশি চালাতে পারেন। তল্লাশিকালে গোপনকৃত নথিপত্র, হিসাবের খাতা, নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার বা অন্য যেকোনো মূল্যবান সম্পদ জব্দ করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে।

৩. ধারা ২০৭ ও ২০৮: জব্দকৃত রেকর্ডের ব্যবস্থাপনা

* ধারা ২০৭: তল্লাশিকালে জব্দকৃত আয় সম্পর্কিত সকল রেকর্ড বা খাতা পরবর্তী কর নির্ধারণী পদক্ষেপের জন্য দ্রুত উপকর কমিশনারের নিকট হস্তান্তর করতে হয়।

* ধারা ২০৮: জব্দকৃত রেকর্ড বা নথিপত্র কতদিন কর কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকবে তার একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সাধারণত কর নির্ধারণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বা নির্দিষ্ট মেয়াদের বেশি এগুলো আটকে রাখা যায় না।

৪. ধারা ২০৯ ও ২১০: জব্দকৃত ও অধিকৃত সম্পত্তির ব্যবস্থা

* ধারা ২০৯: জব্দকৃত সম্পদের (যেমন নগদ অর্থ বা অলঙ্কার) মাধ্যমে যদি করদাতার কোনো বকেয়া কর থাকে, তবে তা সমন্বয়ের বিধান রয়েছে।

* ধারা ২১০: অধিকৃত বা নিয়ন্ত্রণাধীন সম্পত্তির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি কীভাবে হবে এবং করদাতার পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া এখানে বর্ণিত আছে।

💡 করদাতার জন্য বার্তা:

আয়কর বিভাগের এই ক্ষমতাগুলো মূলত কর ফাঁকি রোধ করার জন্য। আপনি যদি নিয়মিত ও সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে রিটার্ন দাখিল করেন এবং স্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ (Record Keeping) বজায় রাখেন, তবে এই জাতীয় তল্লাশি বা জরিপ নিয়ে আপনার চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। মনে রাখবেন, সঠিক হিসাবই আপনার আইনি সুরক্ষা।

জরিপ বা তল্লাশি সংক্রান্ত কোনো আইনি প্রশ্ন থাকলে আমাদের কমেন্টে জানান। 👇

আয়কর সংক্রান্ত সব আপডেট পেতে Tax Solution ফেইজটি ফলো করে সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদ সবাইকে

মাহফুজুল করিম
কর আইনজীবী

#আয়করআইন২০২৩ #আয়করজরিপ #তল্লাশিওজব্দ #ট্যাক্সসলিউশন

Address

CDA New Chandgaon R/A, Bahaddarhat
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share