Third Eye Tax & VAT Solution

Third Eye Tax & VAT Solution +880 1717-197730
[email protected]
ওয়েবসাইটঃ www.thirdeyetax.com
�NBR এর যে কোনো নোটিশ এর জবাব দেওয়া হয়।
�যে কোনো মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়।

এর প্রধান কারণ হচ্ছে ভ্যাট-ট্যাক্স খাতে প্রফেশনালসদের মূল্যায়ন না করতে পারা। কম্পিউটার দোকানদার, মুদি দোকানদার, ফার্মেসী...
18/07/2026

এর প্রধান কারণ হচ্ছে ভ্যাট-ট্যাক্স খাতে প্রফেশনালসদের মূল্যায়ন না করতে পারা। কম্পিউটার দোকানদার, মুদি দোকানদার, ফার্মেসীওয়ালা, ছাত্র, শিক্ষক....... বেকার সবাই ভ্যাট-ট্যাক্স স্পেশালিষ্ট হয়ে উঠাটা দেশের রাজস্ব খাতের জন্য মূল হুমকি। জিরো রিটার্নের স্পেশালিষ্টদের দমন করা না গেলে অচিরেই রাজস্ব খাত মুখ থুবড়ে পড়বে।
অন্যান্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অর্থ পাচার রোধ করতে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা যার দরুন করদাতাদের মধ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স প্রদানে অনীহার সৃষ্টি হচ্ছে, করদাতাদের কষ্টার্জিত ভ্যাট-ট্যাক্স এর সঠিকভাবে ব্যবহারে সরকারের ব্যর্থতা, দূর্ণীতি দমনে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা...... নাগরিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা করদাতাদের মাঝে ভ্যাট-ট্যাক্স প্রদানে ব্যপক অনীহা সৃষ্টি করেছে।




18/07/2026
30/06/2026

অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৯-এ যে পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে, তার একটি বিস্তারিত এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো। কর্পোরেট করদাতা, হিসাবরক্ষক এবং কর পেশাজীবীদের আইনি জটিলতা এড়াতে এই খুঁটিনাটি বিষয়গুলো জানা অত্যন্ত জরুরি।

১. জটিল বিবরণীর অবসান ও 'আয় পরিগণনাপত্র' [ধারা ১৬৯(২)(গ)]
আগের বিধান ও সমস্যা: আগে কোম্পানিগুলোকে ধারা ৪৯ থেকে ৫৫-এর অধীনে অনুমোদিত খরচ (Allowable Expenses) এবং অননুমোদিত খরচের (Disallowable Expenses) একটি বিশাল ও জটিল সমন্বয় বিবরণী ম্যানুয়ালি তৈরি করে রিটার্নের সাথে দিতে হতো। এতে প্রায়ই কর কর্মকর্তা ও করদাতাদের মধ্যে হিসাবের অমিল এবং আইনি বিতর্কের সৃষ্টি হতো।
২০২৬ সালের বিস্তারিত আপডেট: নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, এই দীর্ঘ বিবরণীর আর প্রয়োজন নেই। এখন ধারা ৭৩ অনুযায়ী কোম্পানির অডিট সম্পন্নকারী চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) দ্বারা প্রত্যয়িত "আয় পরিগণনাপত্র" বা Tax Computation Sheet জমা দিলেই চলবে।
প্রভাব: এর ফলে রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়া যেমন গতিশীল হবে, তেমনি কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অডিট রিপোর্টের আইনি গ্রহণযোগ্যতা আরও সুসংহত হবে।

২. উৎসে কর (TDS) রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক [ধারা ১৬৯(২)(ঘ)]
এটি এই অর্থ আইনের সবচেয়ে দূরগামী এবং কঠোর পরিবর্তন। কোম্পানিগুলোর জন্য এটি এখন ডাবল-চেক বা ক্রস-ভেরিফিকেশনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।
বাধ্যবাধকতা: ধারা ১৭৭ অনুযায়ী প্রতিটি কোম্পানিকে নির্দিষ্ট সময় পরপর (সাধারণত কোয়ার্টারলি) উৎসে কর বা উইথহোল্ডিং ট্যাক্সের রিটার্ন জমা দিতে হয়। ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী, মূল বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এই TDS রিটার্ন জমার প্রাপ্তি স্বীকার পত্র (Acknowledgement Receipt) সংযুক্ত করা শতভাগ বাধ্যতামূলক।
আইনি জটিলতা ও ফলাফল: আপনি যদি সারা বছর নিয়মিত TDS কেটে সরকারি কোষাগারে জমাও দিয়ে থাকেন, কিন্তু মূল রিটার্নের সাথে তার প্রাপ্তি স্বীকার পত্র না দেন, তবে আপনার মূল আয়কর রিটার্নটি "অসম্পূর্ণ" (Incomplete Return) বলে গণ্য হবে। আয়কর আইন অনুযায়ী, অসম্পূর্ণ রিটার্ন জমা দেওয়া আর রিটার্ন জমা না দেওয়া সমার্থক, যার ফলে কোম্পানি জরিমানা এবং অতিরিক্ত সরল সুদের (Simple Interest) মুখোমুখি হতে পারে।
উদ্দেশ্য: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর মাধ্যমে নিশ্চিত করতে চায় যে, কোনো কোম্পানি যেন কর ফাঁকি দিতে না পারে এবং উৎসে কর কর্তন ও বার্ষিক আয়ের হিসাব যেন শতভাগ মিলে যায়।

৩. ‘প্রধান কর্মকর্তা’ থেকে ‘মুখ্য কর্মকর্তা’ [ধারা ১৬৯(৫)(গ)]
আইনি শব্দচয়নের এই ছোট পরিবর্তনটি কর্পোরেট গভর্নেন্স বা কোম্পানির অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।
সংজ্ঞার স্পষ্টীকরণ: আগে "প্রধান কর্মকর্তা" বা Principal Officer শব্দবন্ধটি ব্যবহার করা হতো, যা অনেক সময় কিছুটা অস্পষ্ট ছিল। অনেক কোম্পানি আইনি ঝামেলা এড়াতে কোনো জুনিয়র ম্যানেজার বা সাধারণ অ্যাকাউন্টস কর্মকর্তাকে দিয়ে রিটার্নে স্বাক্ষর করিয়ে নিত।
বর্তমান কড়াকড়ি: ২০২৬ সালের সংশোধনীতে এই শব্দ পরিবর্তন করে "মুখ্য কর্মকর্তা" (Chief Officer) করা হয়েছে। এর স্পষ্ট অর্থ হলো— কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (MD), প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO), অথবা প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (CFO)-র মতো শীর্ষ পদের অধিকারী ব্যক্তি।
আইনি দায়বদ্ধতা: রিটার্নে কোনো ভুল তথ্য, আয়ের গোপনীয়তা বা কর ফাঁকির প্রমাণ মিললে, এর জন্য চূড়ান্ত আইনি ও ফৌজদারি দায়বদ্ধতা (Criminal Liability) এখন সরাসরি সেই মুখ্য কর্মকর্তার ওপর বর্তাবে। কোনো অবস্থাতেই জুনিয়র স্টাফদের ওপর দায় চাপিয়ে পার পাওয়া যাবে না।

টেক্স প্রফেশনাল ও কর্পোরেটদের জন্য পরামর্শ:

১. আগে থেকেই ডকুমেন্ট গুছিয়ে রাখুন: শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে বছরের শুরু থেকেই প্রতি কোয়ার্টারের TDS রিটার্ন জমার একনলেজমেন্ট কপি (প্রাপ্তি স্বীকার পত্র) আলাদা ফাইলে সংগ্রহ করে রাখুন।

২. শীর্ষ কর্মকর্তাদের জানিয়ে রাখুন: কোম্পানির নতুন আইনি দায়বদ্ধতার বিষয়টি এমডি (MD) বা সিইও (CEO)-কে আগে থেকেই জানান। কারণ রিটার্নে কোনো ভুল হলে আইনি দায় এখন সরাসরি তাদের (মুখ্য কর্মকর্তা) ওপর বর্তাবে।

৩. হিসাব ক্রস-চেক করুন: রিটার্ন জমার অন্তত ১৫ দিন আগেই কোম্পানির নিজস্ব হিসাবের সাথে অডিটরদের দেওয়া ট্যাক্স কম্পিউটেশন শিট এবং TDS জমার টাকার অংক শতভাগ মিলিয়ে নিন।

30/06/2026

৩০ জুনের ক্লোজিং ইনভেন্টরি: শুধু স্টক গণনা নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্পোরেট সিদ্ধান্ত

অনেকেই মনে করেন, ৩০ জুনের কাজ শুধু গুদামে গিয়ে স্টক গণনা করা। বাস্তবে বিষয়টি এর চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ক্লোজিং ইনভেন্টরির মূল্যায়ন (Closing Inventory Valuation) একটি প্রতিষ্ঠানের Gross Profit (GP), Cost of Goods Sold (COGS), Net Profit এবং করযোগ্য আয়—সবকিছুর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

এ কারণেই IAS 2 – Inventories এবং Income Tax Act, 2023 অনুসরণ করে ইনভেন্টরি মূল্যায়ন করা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. Lower of Cost or Net Realisable Value (LCNRV) নীতি

IAS 2 অনুযায়ী ইনভেন্টরিকে সর্বদা Cost অথবা Net Realisable Value (NRV)—এই দুইটির মধ্যে যেটি কম, সেই মূল্যে মূল্যায়ন করতে হবে।

যেসব কারণে NRV কমে যেতে পারে:

বাজারমূল্য হ্রাস
ক্ষতিগ্রস্ত (Damaged) পণ্য
মেয়াদোত্তীর্ণ (Expired) ইনভেন্টরি
Obsolete বা দীর্ঘদিনের অবিক্রিত স্টক

এসব ক্ষেত্রে মূল্য সমন্বয় করার আগে পর্যাপ্ত প্রমাণ, ওয়ার্কিং পেপার এবং ব্যবস্থাপনার অনুমোদন থাকা প্রয়োজন।

২. Slow-moving ও Obsolete Inventory আলাদাভাবে মূল্যায়ন করুন

বছর শেষে শুধু স্টক গোনা যথেষ্ট নয়; কোন পণ্য দীর্ঘদিন বিক্রি হয়নি, কোনটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়েছে এবং কোনটি বাজারমূল্য হারিয়েছে—এসবও মূল্যায়ন করতে হবে।

এ জন্য প্রস্তুত রাখুন:

Inventory Aging Report
Physical Stock Verification Report
Damage/Obsolete Report
Management Approval
প্রয়োজনে ছবি বা স্বাধীন সার্ভেয়ার রিপোর্ট
৩. Costing Method-এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন

FIFO, Weighted Average বা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত যে পদ্ধতিই ব্যবহার করা হোক না কেন, তা ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করতে হবে।

শুধু লাভ বা করের পরিমাণ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে Costing Method পরিবর্তন করা উচিত নয়। প্রয়োজন হলে তার যথাযথ Disclosure এবং যৌক্তিক কারণ থাকতে হবে।

৪. বছর শেষে Inventory Management পরিকল্পনা

যেসব পণ্য দীর্ঘদিন বিক্রি হচ্ছে না, সেগুলোর জন্য ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে—যেমন Clearance Sale, Promotional Sale বা Scrap Disposal।

তবে প্রতিটি লেনদেন যথাযথভাবে নথিভুক্ত করতে হবে এবং প্রযোজ্য ভ্যাট ও কর আইন অনুসরণ করতে হবে।

অডিটের সময় সবচেয়ে বেশি যে বিষয়গুলো দেখা হয়

✔ Physical Stock ও ERP Stock-এর মিল আছে কি না।

✔ Inventory Aging Report যৌক্তিক কি না।

✔ Write-down বা Write-off-এর যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে কি না।

✔ Costing Method ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না।

✔ Inventory Valuation IAS 2 অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে কি না।

শেষ কথা

৩০ জুনের ক্লোজিং ইনভেন্টরি শুধু একটি হিসাববিজ্ঞানের সংখ্যা নয়; এটি একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থান, মুনাফা এবং কর নির্ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তাই কোনো সমন্বয় বা মূল্যায়ন অবশ্যই বাস্তব তথ্য, পর্যাপ্ত ডকুমেন্টেশন এবং প্রযোজ্য আইন ও হিসাবমান অনুসরণ করে করতে হবে।

সঠিক ইনভেন্টরি মূল্যায়ন শুধু কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করে না, বরং ভবিষ্যতের অডিট ও কর নিরীক্ষার ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে।

Address

Nannu Tower. House 115. North Kalshi. Pallabi . Mirpur . Dhaka. Flat 9E
Dhaka
1215

Opening Hours

Tuesday 09:30 - 18:30
Wednesday 09:30 - 18:30
Thursday 09:30 - 18:30
Friday 09:30 - 18:30
Saturday 09:30 - 18:30
Sunday 09:30 - 18:30

Telephone

+8801717197730

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Third Eye Tax & VAT Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Third Eye Tax & VAT Solution:

Share