Tax Solvency Management & Associates

Tax Solvency Management & Associates Lawyer and Law Firm

জমি ক্রয়  মার্চ ২০২৫ সাল। জমির ধরন ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি জমি। ক্রয় মূল্য ছিল ১৪,১০,৫০০ টাকা।বিক্রয় এপ্রিল ২০২৬ সাল। ব...
24/07/2026

জমি ক্রয় মার্চ ২০২৫ সাল। জমির ধরন ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি জমি। ক্রয় মূল্য ছিল ১৪,১০,৫০০ টাকা।

বিক্রয় এপ্রিল ২০২৬ সাল। বিক্রয় মূল্য ৩২,০০,০০০ টাকা।

দলিল অনুযায়ী ১৭,৮৯,৫০০ টাকা লাভ হলেও, জমিটি ভরাট বাবদ ৬,০০,০০০ টাকা খরচ হয়েছে। জমি বিক্রির সময় ২,৪২,০০০ টাকা উৎস কর বাবদ ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে। আয়কর রিটার্নে এই টাকার উপর ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে?

সমাধান: ১. প্রকৃত নিট মুনাফা (Net Capital Gain) হিসাব:

ক্রয় মূল্য: ১৪,১০,৫০০ টাকা

জমি ভরাট খরচ: ৬,০০,০০০ টাকা

মোট ক্রয়মূল্য (Cost of Acquisition): টাকা

নিট মুনাফা: বিক্রয় মূল্য ৩২,০০,০০০ টাকা - মোট ক্রয়মূল্য ২০,১০,৫০০ টাকা = ১১,৮৯,৫০০ টাকা

২. ট্যাক্সের হিসাব:

কৃষি আয়ের নিয়ম: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) নিয়ম অনুযায়ী, কৃষি খাত থেকে ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত। তবে এটি সরাসরি কৃষি আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

মূলধনী মুনাফা কর (Capital Gains Tax): জমিটি যেহেতু ৫ বছরের কম সময় (২০২৫ থেকে ২০২৬) আপনার মালিকানাধীন ছিল, তাই এটি স্বল্পমেয়াদী মূলধনী মুনাফা হিসেবে গণ্য হবে এবং আপনার নির্ধারিত সাধারণ আয়কর হারে কর দিতে হবে। অর্থাৎ, মোট ১১,৮৯,৫০০ টাকার ওপর আপনার বার্ষিক মোট আয়ের স্ল্যাব অনুযায়ী ট্যাক্স হিসাব করা হবে।

৩. রিটার্নে সমন্বয়:

জমি বিক্রির সময় আপনি ব্যাংকে যে ২,৪২,০০০ টাকা উৎসে কর জমা দিয়েছেন, তা আপনার অগ্রিম কর।

আপনার নিট আয়ের ওপর মোট যে আয়কর আসবে, তা থেকে এই ২,৪২,০০০ টাকা বিয়োগ করা হবে।

যদি মোট ট্যাক্স ২,৪২,০০০ টাকার চেয়ে কম হয়, তবে বাকি টাকা আপনি ফেরত বা পরবর্তী বছরের জন্য সমন্বয় করতে পারবেন।

যদি মোট ট্যাক্স ২,৪২,০০০ টাকার চেয়ে বেশি হয়, তবে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাকি কর পরিশোধ করতে হবে।

#বাড়িভাড়া #চাকরি #ভাড়া #বেতন #কৃষি

২০২৬-২৭ করবর্ষের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সেবা চালু হয়েছে ।সামনে অনেক সময় আছে তাই সময় নিয়ে রিটার্ন দাখিল করুন ।...
23/07/2026

২০২৬-২৭ করবর্ষের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সেবা চালু হয়েছে ।সামনে অনেক সময় আছে তাই সময় নিয়ে রিটার্ন দাখিল করুন ।জিরো রিটার্ন এর ফাঁদে পড়বেন না,সময় নিয়ে সকল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করুন তার পর অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সহায়তায় রিটার্ন দাখিল করুন ।নতুন আয়কর আইনে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে তার মধ্যে যেগুলো প্রায় সকলের জন্য প্রযোজ্য সেগুলো নিয়েই আজ আলোচনা করবো ।
১।👉সঞ্চয়পত্রের আয়,জমি বিক্রয় আয় নিয়মিত আয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ।অর্থাৎ এসব উৎস থেকে আয় আর চূড়ান্ত করদায় হিসেবে বিবেচিত হবে না বরং করদাতার মোট আয়ের সঙ্গে এই আয় যোগ হয়ে নির্ধারিত করস্ল্যাব অনুযায়ী কর পরিশোধ করতে হবে। উৎসে কাটা করকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা হবে, যা আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় সমন্বয় করা যাবে।
২। 👉ব্যক্তিগত স্বর্ণ, স্বর্ণালংকার, হীরক ও ডিজিটাল মুদ্রা বিক্রয়ের লাভ মূলধনী আয় (Capital Gain) হিসেবে গণ্য হবে ।অর্থাৎ এসব উৎস থেকে অর্জিত আয়ের উপর প্রযোজ্য ৫% ট্যাক্স প্রদান করতে হবে ।
৩।👉পূর্বের ন্যূনতম কর ৩,০০০/- টাকা বিলোপ করা হয়েছে ।দেশের সকল স্থানে ও সকলের জন্য সর্বনিম্ন কর ৫,০০০/- টাকা ও প্রথম বার রিটার্ন দাখিলকারীদের জন্য ১,০০০/- করা হয়েছে ।
৪।👉করমুক্ত সীমা পুরুষদের জন্য ৪ লক্ষ ,৬৫+ ব্যক্তি ও মহিলাদের জন্য ৪.৫ লক্ষ করা হয়েছে ।
৫। 👉বিনিয়োগের উপর রেয়াত ১৫% থেকে কমিয়ে ১০% এবং সর্বোচ্চ ১০ লক্ষের পরিবর্তে ৭.৫ লক্ষ করা হয়েছে ।অর্থাৎ বিনিয়োগ থেকে সুবিধা নেয়ার সুযোগ কমানো হয়েছে ।
৬।👉রিটার্ন দাখিলের সময় সীমা পরিবর্তন করা হয়েছে ।জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এর মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে ৫% প্রণোদনা পাওয়া যাবে ।অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এর মধ্যে কোনও জরিমানা ছাড়াই রিটার্ন দাখিল করা যাবে ।জানুয়ারী থেকে মার্চে ৩,০০০/- ও এপ্রিল থেকে জুনে রিটার্ন দাখিল করলে ৫,০০০/- জরিমানা দিতে হবে ।
✅আপনার যদি টিন সার্টিফিকেট থাকে তবে অবশ্যই সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন ।অনাকাঙ্খিত ঝামেলা এড়াতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সহায়তা নিন ও প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট পরবর্তী সময়ের জন্য সংগ্রহে রাখুন । আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য যেসব ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে সেটা নিয়ে পরবর্তী পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো ।ধন্যবাদ

📢 ২০২৬–২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সিস্টেম এখন লাইভঅর্থাৎ আপনি চাইলে এখনই আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।তবে একটি বিষয় ম...
22/07/2026

📢 ২০২৬–২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সিস্টেম এখন লাইভ

অর্থাৎ আপনি চাইলে এখনই আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—আইনে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। ফলে ই-রিটার্ন সিস্টেমেও অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে।

শুধু একটি রিটার্ন দাখিল করে ফেলাই বড় বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো—

✅ রিটার্নটি করদাতার অনুকূলে হচ্ছে কি না
✅ তথ্য প্রদানে কোনো ভুল হচ্ছে কি না
✅ এখন রিটার্ন দাখিল করলে কী সুবিধা পাওয়া যাবে
✅ কিছুদিন পর দাখিল করলে বাড়তি কোনো সুবিধা পাওয়া যেতে পারে কি না
✅ যেসব ক্ষেত্রে করদায় বেশি মনে হচ্ছে, সেসব বিষয়ে পরবর্তী সময়ে কোনো পরিবর্তন আসতে পারে কি না
✅ বর্তমানে যে বিধান রয়েছে, ভবিষ্যতে তা আরও কঠিন হতে পারে কি না

এসব বিষয় বিবেচনা করেই রিটার্ন দাখিল করা উচিত।

তাড়াহুড়া করতে গিয়ে ভুল হলে পরবর্তী সময়ে সংশোধিত রিটার্ন দাখিলের প্রয়োজন হতে পারে। আবার চাইলেই সব ধরনের ভুল সংশোধন করা যায় না—এক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে করদাতার করদায় আরও বেড়ে যেতে পারে।

তাই সময় নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে হবে।

চলুন, নতুন সিস্টেমের কয়েকটি আপডেট সংক্ষেপে জেনে নিই—

📌 প্রথমত—ইনসেনটিভ

কোন পরিমাণ টাকার ওপর ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে?

রিটার্ন দাখিলের সময় যে পরিমাণ কর পরিশোধ করা হবে, সেই টাকার ওপর ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনার মোট করদায় ২,০০,০০০ টাকা। এর মধ্যে আপনি আগে ১,৭০,০০০ টাকা পরিশোধ করেছেন এবং রিটার্নের সঙ্গে অবশিষ্ট ৩০,০০০ টাকা পরিশোধ করছেন।

এক্ষেত্রে ৩০,০০০ টাকার ওপর ৫% হারে ইনসেনটিভের পরিমাণ হবে ১,৫০০ টাকা। এই ১,৫০০ টাকা সমন্বয় করে অবশিষ্ট ২৮,৫০০ টাকা পরিশোধ করা যাবে।

📌 দ্বিতীয়ত—ব্যাংক হিসাবের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হওয়া

ব্যাংক হিসাবের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসার সুবিধাটি এখনো কার্যকর হয়নি।

📌 তৃতীয়ত—Tax Claim অংশে পরিবর্তন

Tax Claim অংশটি আগের মতো নেই; এখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এ রকম আরও অনেক পরিবর্তন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিষয় বিস্তারিতভাবে আপনাদের জানিয়ে দেব।

ধন্যবাদ সবাইকে।

অ্যাডভোকেট মোঃ আবু বকর









২০২৬–২৭ অর্থবছরের সরকারি বিলে প্রযোজ্য ভ্যাট (VDS) ও উৎসে আয়কর (AIT) কর্তনের হালনাগাদ হার প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি বিল প...
17/07/2026

২০২৬–২৭ অর্থবছরের সরকারি বিলে প্রযোজ্য ভ্যাট (VDS) ও উৎসে আয়কর (AIT) কর্তনের হালনাগাদ হার প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি বিল প্রস্তুত, যাচাই ও পরিশোধের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।

05/07/2026
05/07/2026
মনে করেন ১০ লাখ টাকা ছিল গত বছর আপনার করযোগ্য আয় । গতবারের নিয়ম অনুযায়ী ১০ লাখ টাকার গ্রস ট্যাক্স ৬৭,৫০০ টাকা 🔥ধরেন এবার...
20/06/2026

মনে করেন ১০ লাখ টাকা ছিল গত বছর আপনার করযোগ্য আয় । গতবারের নিয়ম অনুযায়ী ১০ লাখ টাকার গ্রস ট্যাক্স ৬৭,৫০০ টাকা 🔥

ধরেন এবারও আপনার করযোগ্য আয় ১০ লাখ টাকা, মানে আয় বাড়েনি। কিন্তু ট্যাক্স ক্যালকুলেশনের নিয়ম সরকার চেঞ্জ করে ফেলেছে।

শুধু নিয়ম চেঞ্জ হওয়ার কারণে এই বছর সেই ১০ লাখ টাকার গ্রস ট্যাক্স হবে ৭৮,৭৫০ টাকা।

মানে, আয়ের পরিমাণ না বাড়লেও আপনার গ্রস ট্যাক্স বেড়েছে ১১,২৫০ টাকা।

Adv. Abu Bakor

রিটার্ন না দিলে জমি-ফ্ল্যাট নামজারি হবে না‼️শহর এলাকায় জমি-ফ্ল্যাট বণ্টন ও মিউটেশন (নামজারি) করতে হলে আয়কর রিটার্নের প্র...
20/06/2026

রিটার্ন না দিলে জমি-ফ্ল্যাট নামজারি হবে না‼️

শহর এলাকায় জমি-ফ্ল্যাট বণ্টন ও মিউটেশন (নামজারি) করতে হলে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র লাগবে। রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখানো ছাড়া জমি-ফ্ল্যাট বণ্টন ও নামজারি করা যাবে না।

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের জন্য এই শর্ত দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এবারের বাজেটে অর্থবিলের মাধ্যমে এই পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ফ্ল্যাট ও জমির মালিকদের জন্য মালিকানা নিতে আয়কর রিটার্ন দেন কি না, সেই প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।

বর্তমানে জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি বা লিজ বা হস্তান্তর বা বায়নানামা বা আমমোক্তারনামা নিবন্ধন করতে এখন আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র লাগে।

এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, শহর এলাকায় যাঁরা জমি ও ফ্ল্যাট কেনেন, তাঁদের করযোগ্য আয় আছে বলেই ধরে নেওয়া যায়। বর্তমানে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এলাকায় জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত বাজারমূল্য বেশ বেশি। জমি-ফ্ল্যাটের মূল্য এত বেশি যে করমুক্ত আয়সীমার নিচে থাকা মানুষের পক্ষে তা কেনা প্রায় অসম্ভব।

Prothom Alo
বিস্তারিত তথ্যসূত্র কমেন্ট বক্সে...

Address

6-7 Court House Street, Bar Association Bhaban Room No. 412 (lift-3), Judge Court
Dhaka-1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax Solvency Management & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share