24/07/2026
জমি ক্রয় মার্চ ২০২৫ সাল। জমির ধরন ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি জমি। ক্রয় মূল্য ছিল ১৪,১০,৫০০ টাকা।
বিক্রয় এপ্রিল ২০২৬ সাল। বিক্রয় মূল্য ৩২,০০,০০০ টাকা।
দলিল অনুযায়ী ১৭,৮৯,৫০০ টাকা লাভ হলেও, জমিটি ভরাট বাবদ ৬,০০,০০০ টাকা খরচ হয়েছে। জমি বিক্রির সময় ২,৪২,০০০ টাকা উৎস কর বাবদ ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে। আয়কর রিটার্নে এই টাকার উপর ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে?
সমাধান: ১. প্রকৃত নিট মুনাফা (Net Capital Gain) হিসাব:
ক্রয় মূল্য: ১৪,১০,৫০০ টাকা
জমি ভরাট খরচ: ৬,০০,০০০ টাকা
মোট ক্রয়মূল্য (Cost of Acquisition): টাকা
নিট মুনাফা: বিক্রয় মূল্য ৩২,০০,০০০ টাকা - মোট ক্রয়মূল্য ২০,১০,৫০০ টাকা = ১১,৮৯,৫০০ টাকা
২. ট্যাক্সের হিসাব:
কৃষি আয়ের নিয়ম: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) নিয়ম অনুযায়ী, কৃষি খাত থেকে ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত। তবে এটি সরাসরি কৃষি আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মূলধনী মুনাফা কর (Capital Gains Tax): জমিটি যেহেতু ৫ বছরের কম সময় (২০২৫ থেকে ২০২৬) আপনার মালিকানাধীন ছিল, তাই এটি স্বল্পমেয়াদী মূলধনী মুনাফা হিসেবে গণ্য হবে এবং আপনার নির্ধারিত সাধারণ আয়কর হারে কর দিতে হবে। অর্থাৎ, মোট ১১,৮৯,৫০০ টাকার ওপর আপনার বার্ষিক মোট আয়ের স্ল্যাব অনুযায়ী ট্যাক্স হিসাব করা হবে।
৩. রিটার্নে সমন্বয়:
জমি বিক্রির সময় আপনি ব্যাংকে যে ২,৪২,০০০ টাকা উৎসে কর জমা দিয়েছেন, তা আপনার অগ্রিম কর।
আপনার নিট আয়ের ওপর মোট যে আয়কর আসবে, তা থেকে এই ২,৪২,০০০ টাকা বিয়োগ করা হবে।
যদি মোট ট্যাক্স ২,৪২,০০০ টাকার চেয়ে কম হয়, তবে বাকি টাকা আপনি ফেরত বা পরবর্তী বছরের জন্য সমন্বয় করতে পারবেন।
যদি মোট ট্যাক্স ২,৪২,০০০ টাকার চেয়ে বেশি হয়, তবে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাকি কর পরিশোধ করতে হবে।
#বাড়িভাড়া #চাকরি #ভাড়া #বেতন #কৃষি