মনের যত, কথা আছে

মনের যত, কথা আছে Hi, wassup! My name is Gopal. Kids game is my main game but enjoy all types of games. I love interac I'm 25 years old and live in Rangpur, Bangladesh.

I love interacting with people and putting a smile on peoples faces!

27/11/2025
মিরাজের নেতৃত্বে মাঠে নামছে বাংলাদেশ—প্রথম ম্যাচে কেমন হবে চূড়ান্ত একাদশ?
02/07/2025

মিরাজের নেতৃত্বে মাঠে নামছে বাংলাদেশ—প্রথম ম্যাচে কেমন হবে চূড়ান্ত একাদশ?

বিশ্বাস আর নাই....?
15/03/2025

বিশ্বাস আর নাই....?

একটা অসম্ভব প্রেমের গল্পশহরের একপ্রান্তে তার অফিস আর অন্যপ্রান্তে তার। প্রতিদিন একই পথে হেঁটে চলা, কিন্তু কখনো দেখা হয়নি...
03/11/2024

একটা অসম্ভব প্রেমের গল্প

শহরের একপ্রান্তে তার অফিস আর অন্যপ্রান্তে তার। প্রতিদিন একই পথে হেঁটে চলা, কিন্তু কখনো দেখা হয়নি তাদের। অথচ, একই ক্যাফেতে তারা চা খায়, একই বইয়ের দোকানে একই বই ধরে, তবুও কখনো চোখে চোখ পড়েনি। কেমন যেন এক অলিখিত দূরত্ব ছিল।

একদিন, হুট করেই একটা বৃষ্টির সন্ধ্যায় গল্পটা শুরু হয়। সে অফিস থেকে বের হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি ছাতা নিয়ে। আর ছাতাহীন মেয়েটি তাড়াহুড়ো করে বৃষ্টি থেকে বাঁচতে দাঁড়ায় তার পাশে। দুজনের চোখে চোখ। চোখে কিছু কথা, যা আগের কোনোদিনও তাদের কেউ বলেনি।

সে ছাতাটা এগিয়ে দেয়, মেয়েটি একটু হেসে বলে, "আমি ঠিক পৌঁছে যাব, ধন্যবাদ।" কিন্তু ছেলেটা তখন বলেছিল, "একটা গল্পের শুরু হতে চলেছে, যদি পাশে হাঁটেন তো!" মেয়েটির মুখে এক চিলতে হাসি, "গল্পের শুরুতে কার না আগ্রহ?"

সেই ছাতার নিচে দুজনের হাঁটা শুরু। ছোট ছোট কথাগুলো বড় গল্পে পরিণত হলো। সে জানল, মেয়েটি বই ভালোবাসে, আর মেয়েটি জানল, ছেলেটি বই লিখে। মেয়েটি জানল, ছেলেটির প্রিয় গান রবীন্দ্রসংগীত, ছেলেটি জানল, মেয়েটির গান শুনলে চোখে পানি চলে আসে।

দিনে দিনে ছেলেটি বুঝলো, মেয়েটি তার জীবনের সেই শূন্য জায়গাটা পূর্ণ করে দিচ্ছে। মেয়েটিও অনুভব করল, ছেলেটির এই শান্ত সঙ্গটা যেন তার জীবনে অনন্তকাল ধরে কামনা করেছে।

একদিন ছেলেটা তার ডায়েরি হাতে তুলে দিয়ে বলল, "তুমি আমার প্রতিটি পাতায় আছো। তুমি জানো?" মেয়েটি হেসে বলেছিল, "তুমি আমাকে ডায়েরিতে লিখো, আর আমি তোমাকে হৃদয়ে লিখি।"

সময় গড়িয়ে গিয়েছিল। একদিন তারা দুজনই বুঝতে পারলো, এই সম্পর্কটা শুধুই কথার, ছোঁয়ার নয়। কারণ মেয়েটির জীবন বাঁধা পড়ে গেছে অন্য কারো সাথে। ছেলেটা জানত, মেয়েটির সুখ তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আর তাই মনের গভীরে রেখে দিল তার ভালোবাসা।

মেয়েটি বিদায়ের সময় বলেছিল, "তুমি আমার জীবনের এক অসমাপ্ত কবিতা হয়ে রইলে।" আর ছেলেটি শুধু বলেছিল, "অসমাপ্তই তো সুন্দর।"

আজও তারা একে অপরের জীবনে রয়ে গেছে, হয়তো জীবনের প্রতিটা ছোট মুহূর্তে। তবে সম্পর্কটা রয়ে গেছে ছাতার নিচের সেই হেঁটে যাওয়া গল্পের মতো, যা কখনো ফুরোয় না।

"এই অসমাপ্ত গল্পটাই হয়তো তাদের সবচেয়ে রোমান্টিক অধ্যায় ছিল, যেখানে ভালোবাসা হারায়নি, বরং আকাশে একখণ্ড মেঘের মতো, ভেসে থেকে যায় চিরকাল।"

17/07/2022

গ্রামের নিচু জমিতে মাছ ধরার দৃশ্য। আজকে সকালে আমাদের বাড়ির পাশে এই মাছগুলো ধরা হচ্ছিল। কথা তেমন রেকর্ড করা হয়নি তবে ভিডিওটি ভালোভাবে রেকর্ড করা হয়েছে।

15/07/2022

শুভ সকাল, গতকাল আমাদের এখানে সারাদিন প্রচুর রোদ উঠেছিলো। পরে রাত ১২টার দিকে আকাশে মেঘ জমে, এবং ভোরের দিকে হালকা বৃস্টি হয় তার পরেও আজ সকালে রোদের এত তাপ ছরাচ্ছে যা দেখে মনে হচ্ছে খুব দ্রুতই প্রকৃতি শীতল হবেনা। তবে আমার ধারনা দু-তিন দিন এর মধ্যে প্রকৃতি এর মধ্যে বারি বর্ষন হবে।

(যারা গ্রাম মিস করে তাদের জন্য আমি এই ভিডিওটা প্রচার করছি, যেন শুহুরে থেকে গ্রামের মানুষের কষ্ট বুঝতে পারেন, আর ভিডিও ভালো লাগলে লাইক দিবেন, কথার মাঝে ভুল হলে অনুগ্রহ করে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।
# #ধন্যবাদ সবাইকে # #)

14/07/2022

এখানে 37 ডিগ্রী তাপমাত্রা চলছে, এর পরেও এই ছাগল ছানা একটু গাছের ছায়ায় নিজের আহার সংগ্রহ করছে। আর একটু পর পর হাফিয়ে উঠছে।

13/07/2022

গ্রামের রাস্তার পাশের কচুর গাছ এর নিছে এগুলো কি।

21/03/2021

ভ্যাকসিনের ২য় ডোজ নিয়ে ঘরে ফেরার পথেই একজন পুরুষ রোগী চোখে অন্ধকার দেখা শুরু করেছে। তারপরও ড্রাইভারকে নিয়ে কোনো রকমে রোগী ঘরে ফিরে আসে। সময় যায় কিন্তু তার চোখের ঝাপসাতো যায়না।

সে ভ্যাকসিনেশন সেন্টারে ফোন করে জানতে চায়:
- সে কি প্রাইমারি কেয়ার ডাক্তারের কাছে যাবে ?
- নাকি জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে যাবে?

তাকে বলা হলো:
- ডাক্তারের কাছেও যাওয়ার দরকার নেই, হাসপাতালেও যাওয়ার দরকার নেই।
- সে যেন তাড়াতাড়ি করে ভ্যাকসিনেশন সেন্টারে এসে নার্সের সাথে দেখা করে।

কারনঃ-
নার্সের সাথে আলগা পিরিত করতে গিয়ে, লোকটি নিজের চশমা রেখে ভুল করে নার্সের চশমা চোখে দিয়ে বাড়ি চলে গেছে!

সংগৃহীত

09/04/2020

করোনাভাইরাস নিয়ে কিছু জরুরি কথা:

কমনসেন্স থাকলেই বোঝা যায়, করোনাভাইরাসের সহজ কোনো সমাধান থাকলে পৃথিবীজুড়ে এত মানুষ মৃত্যুবরণ করতো না।

এখন পর্যন্ত প্রায় নব্বই হাজার মানুষ মারা গেছেন। গরম পানি, চা, থানকুনি পাতা, বা বেশি তাপমাত্রা দিয়ে ভাল হতে পারলে উন্নত দেশগুলোর এত মানুষ মারা যেত? যারা এসব প্রচার করেন, তাদের কি ধারণা চীন, ইতালি বা আমেরিকায় পানি গরম করার ব্যবস্থা নেই?

খুব দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, আমাদের দেশে মানুষকে সচেতন করতে যে হিমশিম খেতে হচ্ছে, তার মূলে আছে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি, সমাজে যাদের ইনফ্লুয়েন্স আছে, তাদের কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণ।

কয়েকজন হুজুর, যারা ওয়াজ করে থাকেন, যাদের কথা এদেশের শিক্ষিত-অশিক্ষিত বহু মানুষ শুনে, তারা বললেন যে মুসলমান হলে এই ভাইরাস আক্রান্ত করবে না। কেউ কেউ বলেছেন ভাইরাস বলেই নাকি কিছু নেই। এখন পর্যন্ত এসব লোক সদর্পে এই মিথ্যা প্রচারণা করে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। মানুষকে সচেতন করতে গেলে তারা এইসব হুজুরদের রেফারেন্স দিচ্ছে, নিশ্চিন্তে তাদের কথা বিশ্বাস করে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

একজন ডাক্তার লাইভে এসে গুজব ছড়ালেন বেশি তাপমাত্রায় সব ভাইরাস মরে যাবে। এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ওই ডাক্তার এখন নিজে ঠিকই পিপিই পরে চেম্বারে যান, কিন্তু যে মানুষগুলো তার কথা বিশ্বাস করে অসচেতন থাকলো, তাদের আক্রান্ত হওয়ার বা মৃত্যুর দায় কে নেবে?

এমনকি গুজব ছড়ানো থেকে বাদ যাচ্ছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকও। এলকোহল ইনহেল করে নাকি তারা চিকিৎসা করে ফেলবেন! টেলিভিশনে, পত্রিকায় এসব প্রচারও করা হচ্ছে, আর মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এধরণের অযৌক্তিক কথাবার্তার কারনে মানুষ নিজে নিজে করোনা থেকে বাঁচতে গিয়ে মারা যাচ্ছে। টেলিভিশন তো গবেষণা প্রকাশের জায়গা না। আপনারা যদি অষুধ আবিষ্কারের চেষ্টা করেই থাকেন, সেটা প্রপার মাধ্যমে আসবে।

বিভিন্ন অষুধের নাম গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে। মানুষ এসব অষুধ নিজে নিজে খেয়ে মারা যাচ্ছে। করোনা থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত এলকোহল খেয়ে মারা যাচ্ছে। গরম পানি আর চা খেয়ে বাইরে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

যাদের দায়িত্ব নিয়ে মানুষকে বোঝানোর কথা, তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। এসব লোক মূলত কিছু জনপ্রিয়তার আশায় জনগণকে মৃত্যুকূপে ঠেলে দিচ্ছেন। এসব বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপরাধ মানুষ খুনের চেয়ে কিছুতেই কম না।

আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনেক বড় যে গুজবটি ছড়ালেন, আমরা নাকি সম্পূর্ণ প্রস্তুত। অথচ একজন বড় ডাক্তার আক্রান্ত হয়ে একটা বিভাগীয় শহরে চিকিৎসা পেলেন না। একটা ঘটনা তাদের তিনমাসের প্রস্তুতির অবস্থা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো। সারাদেশে সচল ভেন্টিলেটর কয়টি আছে, তাকে জিজ্ঞেস করলে আবারও লাইন কেটে দিয়ে চলে যাবেন।

মানুষকে ওয়াজে বিভ্রান্ত করা হয়েছে, ডাক্তার বিভ্রান্ত করছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, টেলিভিশন, পত্রিকা বিভ্রান্ত করছে। তাহলে মানুষ আস্থা রাখবে কোথায়, কার কথা শুনবে? দেশের কয়জন মানুষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট চেক করবে, কয়জনের ভাইরাস কীভাবে কাজ করে সেটা বুঝতে চাওয়ার জ্ঞান আছে! দায়িত্ব নিয়ে যাদের কথা বলার কথা, তারা দয়া করে আর গণহত্যাতুল্য অপরাধ করবেন না, নিজের ইচ্ছামতো যা তা বলে বেড়াবেন না।

30/03/2020

-'বুরুন্ডি হচ্ছে একমাত্র আফ্রিকান দেশ, যেখানে কোনো করোনাভাইরাসের রোগী পাওয়া যায়নি।

তাদের স্ব্যাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে এই সাফল্যের সিক্রেট জানতে চাওয়ার পর তিনি বলেছেন- 'ওহ উত্তর খুব সহজ,আমাদের কোন পরিক্ষা কিট নেই, তাই করোনা রোগীও নেই।'

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মনের যত, কথা আছে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share