KHAN Income TAX & VAT Solution House

KHAN Income TAX & VAT Solution House Income TAX & VAT Advisor

24/08/2026

নতুন টার্নওভার ট্যাক্স নিয়ম: বড় স্বস্তি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য! 🚀
ব্যবসায়ীদের জন্য এলো অত্যন্ত আনন্দের খবর! জাতীয় বাজেটের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টার্নওভার ট্যাক্সের হারে বড় ধরণের ছাড় দেওয়া হয়েছে।
নতুন ট্যাক্স স্লাব ও হার:
* ০ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত: সম্পূর্ণ শুন্য (০%) কর!
* ২ কোটি থেকে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত: মাত্র ০.৫% কর।
* ৪ কোটি টাকার অধিক: পূর্বের নিয়মে ১% কর প্রযোজ্য হবে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ। আলহামদুলিল্লাহ!

28/07/2026

TIN & BIN এর পার্থক্য

ব্যবসায়ীদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা কি শুধু কাগজে-কলমেই?ধরা যাক, একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর বছরে মোট বিক্রি (Turnover) ৪০ ল...
26/07/2026

ব্যবসায়ীদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা কি শুধু কাগজে-কলমেই?

ধরা যাক, একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর বছরে মোট বিক্রি (Turnover) ৪০ লাখ টাকা। ১৫% গ্রস প্রফিট (GP) হিসেবে তার নিট আয় মাত্র ৪ লাখ টাকা।

সরকার ঘোষণা করেছে, ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয় করমুক্ত। সেই হিসাবে এই ব্যবসায়ীর এক টাকাও আয়কর দেওয়ার কথা নয়।

কিন্তু বাস্তবে কী হচ্ছে?
১% টার্নওভার ট্যাক্সের কারণে ৪০ লাখ টাকার বিক্রির ওপর তাকে ৪০ হাজার টাকা কর দিতে হচ্ছে।

24/07/2026
23/07/2026

আয়কর আইন ২০২৩ এর ১৬৩ ধারায় সকল ধরনের ব্যবসার ওপর ১% টার্নওভার ট্যাক্স—ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য এটি সত্যিই একটি ভয়ংকর ব্যবস্থা।
ধরা যাক, একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বার্ষিক বিক্রয় ৪০ লাখ টাকা। গত বছর তাঁর GP ছিল ১৫%। সব খরচ বাদ দিয়ে তাঁর কর দাঁড়িয়েছিল ৫,০০০ টাকা—তিনি ৫,০০০ টাকা কর দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলেন।
এবার ১% টার্নওভার ট্যাক্সের কারণে তাঁকে দিতে হবে ৪০,০০০ টাকা।
অর্থাৎ, প্রকৃত কর ৫,০০০ টাকা হলেও অতিরিক্ত ৩৫,০০০ টাকা কর দিতে হবে।
এখন তিনি যদি বলেন—
“আমার অতিরিক্ত ৩৫,০০০ টাকা ফেরত দিন”—তাহলে ফেরতযোগ্য কর সৃষ্টি হবে, ১৮৩ ধারায় অ্যাসেসমেন্টের সম্ভাবনা তৈরি হবে, অডিটে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।
আবার যদি বলেন—
“থাক, ফেরত চাইব না; পুরো ৪০,০০০ টাকাই হিসাবের মধ্যে সমন্বয় করে নিই”—তাহলে তাঁর GP বেড়ে যেতে পারে।
আর GP বেড়ে গেলে পরের প্রশ্ন—
“এ বছর GP এত বেশি কেন? তাহলে গত বছর কম দেখিয়েছিলেন কেন?”
এরপর ২১২ ধারায় আগের বছরের হিসাব পুনরায় উন্মোচনের পরিকল্পনা শুরু হতে পারে!
অর্থাৎ—
কর দিলে সমস্যা,
কর ফেরত চাইলে আরও সমস্যা,
আর কর ফেরত না চাইলে ভবিষ্যতে নতুন সমস্যা!
এভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ওপর চাপ বাড়তে থাকলে তারা ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহ হারাবেন। উদ্যোক্তা কমবে, ব্যবসা সংকুচিত হবে—আর দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আদায়ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিক্রয় কখনোই লাভ নয়। করব্যবস্থার উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায়; কিন্তু রাজস্বের স্থায়ী ভিত্তি হলো ব্যবসা ও উদ্যোক্তাকে বাঁচিয়ে রাখা। ব্যবসা বাঁচলে রাজস্ব বাড়বে। উদ্যোক্তা বাঁচলে করদাতা বাড়বে।
নির্বিচারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সব ব্যবসার বিক্রি বা টার্নওভারের উপর ১% কর বসাই দিলে কি, প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ে কি এত টাকা লাভ হয়???
অবাস্তব আইন করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে,তাহা দ্রুত সময়ে এস আরও দিয়ে এবং অনলাইন আপডেট দিলে উপকৃত হবেন সকলে,

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু করল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
22/07/2026

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু করল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

আলহামদুলিল্লাহ, সাধারণ জনগণের জন্য সুখবর। হেবা ও দান দলিলে কোনো উৎস লাগবেনা মর্মে আজ এনবিআর থেকে সরকারি আদেশ জারি হয়েছে।...
07/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ, সাধারণ জনগণের জন্য সুখবর। হেবা ও দান দলিলে কোনো উৎস লাগবেনা মর্মে আজ এনবিআর থেকে সরকারি আদেশ জারি হয়েছে।

১) পিতামাতা ছেলেমেয়েদের আগের মতোই সম্পত্তি হেবা করতে পারবে। কোনো কর লাগবেনা।

২) স্বামী-স্ত্রী আগের মতোই পরস্পরকে কোনো কর ছাড়াই হেবা করতে পারবে।

৩) একই মায়ের পেটের ভাই বোনের মধ্যে সম্পত্তি হেবা করলেও কোনো কর লাগবেনা।

এসব সম্পর্কের বাইরে হেবা বা দান দলিল করলে তখনও উৎস কর দিতে হবেনা, কেবল প্রযোজ্য হারে দানকর দিতে হবে।

আলহামদুলিল্লাহ, সাধারণ জনগণের জন্য সুখবর। হেবা ও দান দলিলে কোনো উৎস লাগবেনা মর্মে আজ এনবিআর থেকে সরকারি আদেশ জারি হয়েছে।

05/07/2026

প্রথমবার আয়কর রিটার্ন জমা দিলে ন্যূনতম কর মাত্র ১,০০০ টাকা! জুলাই সেপ্টেম্বরে দিলে থাকছে ছাড়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২০২৬-২৭ অর্থবছরেও নতুন করদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা বহাল রেখেছে। যারা প্রথমবার আয়কর রিটার্ন জমা দেবেন, তাদের ন্যূনতম কর দিতে হবে মাত্র ১ হাজার টাকা। অন্যদিকে পুরাতন করদাতাদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কর ৫ হাজার টাকা থাকবে।

আরও বড় সুখবর হলো — এখন বছরের যেকোনো সময় অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। তবে আগে রিটার্ন জমা দিলে কর ছাড়ের সুবিধাও মিলবে।

✅ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫% পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় মিলবে।

✅ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে অতিরিক্ত কোনো জরিমানা বা ছাড় থাকবে না।

⚠️ জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত ২% কর অথবা ন্যূনতম ৩ হাজার টাকা বেশি পরিশোধ করতে হবে।

⚠️ এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে অতিরিক্ত ৫% কর অথবা ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা বেশি দিতে হবে।

নতুন অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে করমুক্ত আয় ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, এখন তা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা হয়েছে।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী দেশে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ টিআইএনধারী থাকলেও নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন মাত্র ৪০ থেকে ৪২ লাখ মানুষ। নতুন করদাতাদের উৎসাহিত করতেই এই বিশেষ সুবিধা চালু রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Bangla Tribune

03/07/2026

📢 নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ও করছাড়–জরিমানার নির্দেশনা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রস্তাবিত নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী, এখন ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

✅ জুলাই – সেপ্টেম্বর
রিটার্ন দাখিলে রয়েছে ৫% করছাড় সুবিধা (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত)। সময়মতো রিটার্ন দিয়ে কর সাশ্রয়ের সুযোগ নিন।

⚠️ অক্টোবর – ডিসেম্বর
এই সময়ে রিটার্ন দাখিলে কোনো জরিমানা নেই, তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা বাতিল হবে।

❌ জানুয়ারি – মার্চ
বিলম্বে রিটার্ন দাখিল করলে ২% হারে বা সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা জরিমানা প্রযোজ্য হতে পারে।

🚨 এপ্রিল – জুন
এ সময় রিটার্ন দাখিলে ৫% বিলম্ব ফি বা সর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা জরিমানা গুণতে হতে পারে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KHAN Income TAX & VAT Solution House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share