05/11/2024
✅জনপ্রিয় ই-রিটার্ন এবং বাস্তবতা:
➡️ ই-রিটার্ন:
ই-রিটার্ন তৈরি করার উদ্দেশ্য হলো আয়কর রিটার্ন দাখিল পদ্ধতি সহজ করা এবং জন ভোগান্তি কমানো সাথে আপনার অর্জিত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য সঠিকভাবে অনলাইন মাধ্যমে উপস্থাপন করা।
কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে অনেকে অনলাইন জিরো রিটার্ন নাম দিয়ে নানানভাবে করদাতাকে প্রতারিত করছেন। আবার অনেক সময় করদাতারা ডকুমেন্টস এর ঝামেলা এবং কম খরচ চিন্তা করে জিরো রিটার্নের প্রতি ধাবিত হচ্ছেন।
✅অনলাইন রিটার্ন দাখিল করার মাধ্যমে আপনি কিন্তু অনলাইনে ঘোষণা দিয়েছেন আপনার কি আছে আর কি নেই! এতে করে আপনার অপ্রদর্শিত কোন আয়, সম্পদ বা দায় এমন কিছু থাকলে জাতীয় রাজস্ববোর্ড এর জালে তা সহজেই ধরা পড়বে এবং অনলাইন নির্ভর অডিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সহজ হবে। সর্বোপরি গতানুগতিক অডিট প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে অনলাইন নির্ভর অডিট প্রক্রিয়ায় যেতে পারবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড।
✅বাস্তবতা:
➡️কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে আপনার নামে জায়গা, ফ্ল্যাট, গাড়ি, বাড়ি, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক ব্যালেন্স আছে যা আপনার অনলাইন রিটার্নে অপ্রদর্শিত রেখেছেন। আপনি অনলাইনে জিরো রিটার্ন নামক এক আজগুবি রিটার্ন দাখিল করেছেন। এতে করে আপনার অর্জিত সব সম্পদ অপ্রদর্শিত হয়ে গেলো। যা আপনার বৈধ উপায়ে কেনা ছিলো, তাকে নিজেই অবৈধ করে দিলেন। জিরো নাম শুনে সব বাদ দিয়ে দিলেন। তার মানে হচ্ছে আপনি নিজের বিপদ নিজেই ডেকে এনেছেন। আপনার বৈধ সম্পদকে অপ্রদর্শিত সম্পদ করে দিয়েছেন।
➡️কারণ বর্তমানে জাতীয় রাজস্ববোর্ডের সাথে এনআইডি সার্ভার, ব্যাংক, বিআরটিএ, সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর, বিনিয়োগ বোর্ডসহ প্রায় সার্ভারের সাথে যুক্ত আছে।
➡️আপনার ফাইল অডিটে পড়লে আপনার অপ্রদর্শিত সম্পদ এবং আয়ের উপর আপনাকে অতিরিক্ত কর, সুদ ও জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।
তাই, জেনে বুঝে সকল তথ্য উপাত্ত এর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাথে নিয়ে আপনার অনলাইন বা অফলাইন আয়কর রিটার্ন সাবমিট করুন। অনাকাঙ্ক্ষিত কর, সুদ ও জরিমানা এড়িয়ে চলুন।