Mufti Abu Yusuf hashime

Mufti Abu Yusuf hashime Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mufti Abu Yusuf hashime, Tax preparation service, Sunamganj.

10/07/2026

কিছু প্রশ্ন, কিছু তথ্য — জবাব জনগণই চাইবে

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আমি ব্যক্তিগত আক্রমণের উদ্দেশ্যে এই লেখা প্রকাশ করছি না। আমার উদ্দেশ্য হলো কিছু ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়া এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

আমার বক্তব্যের কোনো অংশ যদি ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আমি তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশোধন গ্রহণ করতে প্রস্তুত। প্রয়োজনে প্রকাশ্যে নিজের ভুল স্বীকার করতেও আমার দ্বিধা নেই।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি ইউনিয়নের একটি করে কেন্দ্রীয়/জামে মসজিদের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়। শর্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মসজিদে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের কার্যক্রম বিদ্যমান থাকা আবশ্যক ছিল।

আমাদের মসজিদ উক্ত শর্ত পূরণ করায় যথাযথভাবে আবেদন করা হয়। আবেদন গ্রহণের পর উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

প্রশ্নের সূত্রপাত

প্রাথমিক তালিকা তৈরির সময় আমাদের জানানো হয়েছিল যে, আমাদের মসজিদ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সেই ভিত্তিতে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়।

পরবর্তীতে তালিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আপত্তি ও মতবিরোধের কথা জানতে পারি। বিভিন্ন পক্ষের মতামত ও প্রতিনিধিত্বের বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়।

আমার প্রশ্ন ও কষ্টের বিষয়

পরবর্তীতে জানতে পারি, আমার মসজিদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়ে কিছু আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে। এমনকি আমাকে ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ে উপস্থাপনের কথাও শুনতে হয়েছে।

আমি দীর্ঘদিন জমিয়তের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। ছাত্রজীবন থেকে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। তাই আমার পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি বা অপপ্রচার আমার জন্য কষ্টদায়ক ছিল।

আমি আশা করেছিলাম, বিষয়টি দলীয় ও সামাজিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে। কারণ আমার বিশ্বাস ছিল—মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে ভুল বোঝাবুঝির অবসান সম্ভব।

কিন্তু যখন দেখলাম বিষয়টি ন্যায়সঙ্গত আলোচনার পরিবর্তে বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান ও প্রভাবের মধ্যে চলে যাচ্ছে, তখন আমি হতাশ হই এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।

আমার মূল প্রশ্নগুলো

১. মসজিদ নির্বাচন কোন লিখিত নীতিমালার ভিত্তিতে করা হয়েছে?

২. সরকারি শর্ত পূরণকারী মসজিদের মধ্য থেকে কারা নির্বাচিত হলেন এবং কারা বাদ পড়লেন—এর কারণ কি প্রকাশ করা হবে?

৩. যাচাই-বাছাই কমিটির সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম কি জনসম্মুখে উপস্থাপন করা হবে?

৪. নির্বাচিত সব মসজিদ কি সরকারি শর্ত পূরণ করেছে?

৫. যদি কোনো মসজিদ বা ব্যক্তি পূর্বে অন্য সুবিধা পেয়ে থাকে, তাহলে একই সুবিধার ক্ষেত্রে তাদের অন্তর্ভুক্তির নীতিমালা কী ছিল?

৬. বিভিন্ন পক্ষের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও পুনরায় যাচাই করা হলো না কেন?

৭. আমার মসজিদ বাদ দেওয়ার লিখিত কারণ আজ পর্যন্ত জানানো হলো না কেন?

৮. আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসা হলো না কেন?

বর্তমান পরিস্থিতি

সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে আমাকে প্রকাশ্যে জবাবদিহিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। আমি আবারও স্পষ্ট করতে চাই—আমি কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ চাই না।

আমি চাই তথ্যভিত্তিক আলোচনা।

যদি আমার কোনো অভিযোগ বা প্রশ্ন ভুল প্রমাণিত হয়, আমি তা গ্রহণ করব এবং সংশোধন করব।

কিন্তু যদি প্রশ্নগুলোর যৌক্তিক উত্তর না থাকে, তাহলে জনগণ স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে ভাববে।

আমার উদ্দেশ্য কারও সম্মানহানি নয়। আমার উদ্দেশ্য হলো—স্বচ্ছতা, ইনসাফ, জবাবদিহি এবং সত্য উদঘাটন।

আমি এতদিন বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যখন আমাকে নিয়ে বিচার-সালিশের কথা বলা হচ্ছে, তখন জনগণের সামনে কিছু বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন মনে করছি।

উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মসজিদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমার প্রশ্ন হলো—যদি সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচন হয়ে থাকে, তাহলে তার লিখিত মানদণ্ড ও যাচাইয়ের ভিত্তি প্রকাশ করা হবে না কেন?

আমার অভিযোগ হলো, পাঁচটি মসজিদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ঘরানার সংশ্লিষ্টতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কি না—এ বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার।

নির্বাচিত মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. কাপনা সাতঘর হাটি জামে মসজিদ, সলুকাবাদ
২. মুক্তিখলা মল্লিকপুর জামে মসজিদ, পলাশ
৩. দুধপুর পুলের ঘাট জামে মসজিদ, ধনপুর
৪. বসন্তপুর বাজার জামে মসজিদ
৫. বাগুয়া দক্ষিণ হাটি জামে মসজিদ

আমি জানতে চাই—এসব মসজিদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কী কী যাচাই করা হয়েছে? একই শর্ত পূরণকারী অন্য মসজিদগুলো কেন বাদ পড়ল?

আমি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে পূর্বে আশা করেছিলাম যে, বিষয়টি আলোচনা ও যাচাইয়ের মাধ্যমে সংশোধন করা হবে। কিন্তু আমার দৃষ্টিতে সেই সংশোধন কার্যকর হয়নি।

এই কারণেই আমি প্রশ্ন তুলেছি। কোনো ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং ন্যায়সঙ্গত ব্যাখ্যার প্রত্যাশায়।

এখন যদি আমার বক্তব্য ভুল হয়, তাহলে তথ্য-প্রমাণসহ জবাব দেওয়া হোক। আমি তা গ্রহণ করব।

আর যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কোনো অসঙ্গতি থাকে, তাহলে সেটিও জনগণের সামনে পরিষ্কার হওয়া উচিত।

আমি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে আলোচনার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর লিখিত ব্যাখ্যা ও তথ্য উপস্থাপন করা হোক।

09/07/2026
09/07/2026
03/07/2026

মুহতারাম ওলামায়ে কেরাম!
ধাক্কাধাক্কি বা আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা বিবেচনা করে কথা বলুন।

আপনি মানুন বা না মানুন—বর্তমান সংসদে ১১ দলীয় জোট ইসলামপন্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধক ভূমিকা পালন করছে বলে অনেকের মূল্যায়ন। তাদের উপস্থিতি না থাকলে ইসলামপন্থীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারত।

এমন একটি সংবেদনশীল সময়ে পারস্পরিক বিভক্তি নয়, বরং প্রজ্ঞা, ঐক্য এবং দূরদর্শিতার প্রয়োজন। আমাদের চারপাশের আঞ্চলিক বাস্তবতাও সতর্ক থাকার আহ্বান জানায়।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হিকমত, ইনসাফ ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাওফীক দান করুন। আমীন।

03/07/2026

কিছু প্রশ্ন, কিছু জবাব
মুফতি আবু ইউসুফ হাশিমী

নির্বাচন নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা আপনার সঙ্গে নাও মিলতে পারে। তবুও কিছু প্রশ্ন ও বাস্তবতা তুলে ধরছি।

---

১. সমঝোতার রাজনীতি ও বাস্তবতা

নির্বাচনে দুটি বড় জোট ছিল। উভয়েরই সরকার গঠনের বাস্তব সম্ভাবনা ছিল। শুরুতে সমঝোতার পরিবেশ তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত সেই সমঝোতা ভেঙে যায়। ফলাফল—উভয় পক্ষই রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইসলামী শক্তিকে ঘিরে যে সম্ভাবনার জোয়ার তৈরি হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।

---

২. সমঝোতা, প্রত্যাশা ও দ্বৈত মানদণ্ড

মাওলানা মামুনুল হক সাহেব জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করেছিলেন। বলা হচ্ছে, সেখানে তিনি প্রত্যাশিত ফল পাননি।

কিন্তু একই প্রশ্ন অন্যদের ক্ষেত্রেও আসে।

একটি দল বিএনপির সঙ্গে জোট করেছিল। সেই সমঝোতার মাধ্যমে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছিল। কিন্তু পরে দেখা গেছে, সেই সহযোগী দলকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি—প্রত্যাশিত আসন, রাজনৈতিক অংশীদারিত্ব বা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিত্বও দেওয়া হয়নি।

তাহলে প্রশ্ন হলো—
এক জায়গায় ব্যর্থতা দেখলে সেটিকে বড় করে দেখা হয়, কিন্তু অন্য জায়গায় একই ধরনের বাস্তবতা থাকলে সেটি কেন আলোচনায় আসে না?

---

৩. আকিদা নাকি রাজনৈতিক বাস্তবতা?

আরেকটি প্রশ্ন—

জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট করলে আকিদার সমস্যা হয় না, কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করলেই আকিদার প্রশ্ন তোলা হয় কেন?

মাওলানা মামুনুল হক সাহেব তো বারবার বলেছেন—এটি আকিদার বিষয় নয়, রাজনৈতিক সমঝোতা।

তাহলে এক জায়গায় এক মানদণ্ড, আরেক জায়গায় আরেক মানদণ্ড কেন?

---

৪. কওমি অঙ্গনের আলেম ও সীমাবদ্ধতা

কওমি অঙ্গনের ভেতরে অনেক সম্মানিত আলেম যেমন ওলিপুরী, আবদুল মালেক ও বাবুনগরী—তাঁরা সরাসরি রাজনৈতিক অঙ্গনে অংশ নেন না এবং তাঁদের কোনো সংগঠিত রাজনৈতিক শক্তিও নেই।

ফলে বাস্তব রাজনৈতিক চাপ, সিদ্ধান্ত ও অবস্থানের ক্ষেত্রে অনেক সময় সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়।

---

৫. রাজনীতি ও প্রভাবের বাস্তবতা

রাজনীতির বাস্তবতা হলো—যারা সক্রিয় রাজনীতিতে থাকে, তারা রাষ্ট্র ও ক্ষমতার কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে এবং সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

আর যারা রাজনীতির বাইরে থাকেন, তাদের জন্য সেই প্রভাব অনেক সীমিত হয়। ফলে অনেক সময় নীতি, অবস্থান ও বক্তব্যও বাস্তব সীমাবদ্ধতার মধ্যে পড়ে যায়।

---

৬. শক্তি দুর্বল হলে বাস্তবতা কী দাঁড়ায়?

একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা হলো—শক্তি কমে গেলে প্রভাবও কমে যায়। তাই হক–বাতিল বা নীতি-অবস্থানের প্রকাশ অনেক সময় সীমিত হয়ে পড়ে।

এটাই রাজনীতির নির্মম বাস্তবতা।

---

৭. “দুর্বল করলে শান্তিতে থাকতে পারবেন না”—ব্যাখ্যা

মাওলানা মামুনুল হক সাহেব বলেছেন—“আমাদের দুর্বল করলে আপনারাও শান্তিতে থাকতে পারবেন না।”

আমার দৃষ্টিতে এটি কোনো হুমকি নয়; বরং রাজনৈতিক বাস্তবতার বিশ্লেষণ।

কারণ রাজনীতিতে শক্তিশালী পক্ষ রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখতে পারে। তাই কোনো পক্ষ একেবারে দুর্বল হয়ে গেলে তার প্রভাব শুধু নিজেই নয়, পুরো অঙ্গনের ওপরও পড়ে—এটাই বাস্তবতা।

---

৮. রাজনৈতিক শক্তি, সীমাবদ্ধতা এবং বাস্তবতা

আরেকটি প্রশ্ন হলো—কওমি অঙ্গনের ভেতরে অনেক সম্মানিত আলেম যেমন ওলিপুরী, আবদুল মালেক ও বাবুনগরী—তাঁরা সরাসরি রাজনৈতিক অঙ্গনে অংশগ্রহণ করেন না এবং তাঁদের কোনো সংগঠিত রাজনৈতিক শক্তিও নেই।

এই অবস্থায় প্রশ্ন আসে—যখন রাজনৈতিক শক্তি বা সরাসরি প্রভাব না থাকে, তখন অনেক সময় বাস্তব রাজনৈতিক চাপ ও সীমাবদ্ধতার কারণে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে হক–বাতিলের বিষয়ে প্রকাশ্য রাজনৈতিক অবস্থানও অনেক সময় সীমিত হয়ে যায়।

অন্যদিকে বাস্তবতা হলো—যারা রাজনীতিতে সক্রিয়, তারা রাষ্ট্র ও ক্ষমতার কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে। তাই তারা চাইলে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু যারা রাজনীতির বাইরে থাকেন, তাদের জন্য সেই সুযোগ অনেক সীমিত হয়ে যায়।

ফলে একটি বাস্তব দিক স্পষ্ট হয়—রাজনৈতিক শক্তি ছাড়া অনেক সময় সিদ্ধান্ত, অবস্থান ও প্রভাব সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

---

৯. রাজনৈতিক সমঝোতা ও মূল্যায়নের বাস্তবতা

এখানে একটি উদাহরণ হিসেবে যে সমঝোতার কথা বলা হচ্ছে তা হলো—

একটি দল বিএনপির সঙ্গে জোটে ছিল। সেই সময় তারা বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বলা যায়, সেই সমর্থনের কারণে বিএনপির অবস্থান আরও দৃঢ় হয় এবং তারা সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়।

কিন্তু পরবর্তীতে বাস্তবতা হলো—সরকার গঠনের পর সেই সহযোগী দলকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তাদের প্রত্যাশিত আসন, রাজনৈতিক অংশীদারিত্ব বা মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিত্বও দেওয়া হয়নি।

এখান থেকেই একটি প্রশ্ন তৈরি হয়—
যে দলকে নিয়ে সরকার গঠন সম্ভব হয়েছে, তাকে যদি পরবর্তীতে যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করা হয়, তাহলে সেই রাজনৈতিক সমঝোতার ভারসাম্য কোথায় থাকে?

---

শেষ কথা

সব মিলিয়ে বলতে চাই—রাজনীতিতে শক্তি, অবস্থান এবং বাস্তব প্রভাব অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাজনৈতিক শক্তি না থাকলে অনেক সময় ন্যায্য অবস্থানও সীমিত হয়ে যায়, আর শক্তি থাকলে সেটির প্রভাবও অনেক বেশি হয়।

তাই রাজনৈতিক মূল্যায়ন সব সময় বাস্তবতা, শক্তির ভারসাম্য এবং পারস্পরিক ন্যায্যতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।

Address

Sunamganj
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mufti Abu Yusuf hashime posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share