16/06/2026
এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, শিগগিরই এনবিআর দেশের ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন এলাকা অনুযায়ী বিগত ৪০ বছরের মৌজা মূল্যের তথ্য নেবে।সম্পদের সঠিক মূল্য নির্ধারণ সহজ করতে এই তথ্য অনলাইন ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেমে যুক্ত করা হবে।✅
এর ফলে আগামী বছর যারা রিটার্ন জমা দেবেন, তারা জমি,ফ্ল্যাট কিংবা স্বর্ণালঙ্কারের মূল্য 'অজানা' দেখানোর সুযোগ আর পাবেন না বলে আশা করা হচ্ছে।❗
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা বলেন, তারা আশা করছেন, এই পদ্ধতিতে ভ্যালুয়েশনের কারণে নতুন করে প্রায় ২ হাজারের ব্যক্তি চার কোটি টাকার সম্পদের সীমা অতিক্রম করবেন। আর যারা বর্তমানে এই সীমা অতিক্রম করেছেন, তাদেরও সম্পদের অর্থমূল্যের পরিমাণ বাড়বে।💠
এর মাধ্যমে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাড়তি প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। ✅
আরেকজন কর্মকর্তা জানান, জুলাইয়ের মধ্যে আয়কর পরিপত্র প্রকাশ করা হবে এবং কীভাবে এ ভ্যালুয়েশন করা হবে,সে বিষয়ে স্পষ্টীকরণ করা হবে। ✅
ওই কর্মকর্তা বলেন, কিছু করদাতা উত্তরাধিকার সূত্রে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়ি পান, কয়েকশো বিঘা কৃষি বা অকৃষি জমি পান, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার পালন। কিন্তু ট্যাক্স ফাইলে এসব সম্পদের বিষয়ে তথ্য থাকে 'মূল্য অজানা'।🚫
তিনি আরও বলেন, অর্জনকালীন সময়ের মৌজা ভ্যালু অনুযায়ী হিসাব করলে দেখা যাবে, এসব সম্পদের দাম কয়েক কোটি টাকা। 'মূল্য অজানা' দেখানোর ফলে ওই করদাতারা অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে সারচার্জযোগ্য সম্পদের নিচে থেকে যাচ্ছেন বছরের পর বছর ধরে।
তিনি বলেন, এই অজানা মূল্য আসলে সম্পদের সারচার্জ ফাঁকি দেওয়ার একটা কৌশল।
゚viralシfypシ゚ ゚viralシfypシ゚viralシalシ