Tax and VAT BD

Tax and VAT BD You can find proper tax solutions & support from this side.

03/08/2026

22/07/2026

অর্থ আইন ২০২৬: কর রেয়াত ও বিনিয়োগের নতুন নিয়মাবলি:
একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা তার মোট আয়ের ৩০% পর্যন্ত অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ বা দান করে সর্বোচ্চ কর রেয়াত সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন (যা পূর্বে করযোগ্য আয়ের ২০% পর্যন্ত ছিল)।

অর্থ আইন ২০২৬ অনুযায়ী এই কর রেয়াত হিসাবের পদ্ধতি ও শর্তাবলীতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

কর রেয়াত হিসাবের ৩টি শর্ত:
বর্তমানে একজন করদাতা নিবন্ধিত খাতসমূহে বিনিয়োগের বিপরীতে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ কর রেয়াত পাবেন, তা নিচের ৩টি অংকের মধ্যে যেটি সবচেয়ে কম হবে:
· মোট করযোগ্য আয়ের ৩%: (কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয়, হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এইরূপ আয়, অংশীদারি ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘ হইতে প্রাপ্ত শেয়ার আয় এবং চূড়ান্ত করদায়] প্রযোজ্য এইরূপ আয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট আয়ের উপর হিসাবযোগ্য)।
· প্রকৃত বিনিয়োগ বা অনুদানের ১০%: অনুমোদিত খাতে মোট প্রকৃত বিনিয়োগ বা অনুদানের ১০% (যা আগে ১৫% ছিল)।
· সর্বোচ্চ নির্ধারিত সীমা: ৭,৫০,০০০ (সাত লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা (যা আগে ছিল ১০,০০,০০০ টাকা)।


লক্ষ্যণীয় বিষয়: আগে রেয়াতের হার ১৫% থাকায় যে পরিমাণ কর সুবিধা পাওয়া যেত, নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১০% রেয়াত হারের কারণে একই পরিমাণ কর সুবিধা পেতে করদাতাকে আগের চেয়ে ৫০% বেশি অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে।

মেয়াদপূর্তির আগে ক্যাশ/এনক্যাশমেন্টে নতুন কড়াকড়ি: অর্থ আইন ২০২৬-এ বিনিয়োগ নগদায়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন বিশেষ শর্ত যুক্ত করা হয়েছে:

মেয়াদপূর্ব নগদায়ন (Early Encashment): ডিপিএস (DPS), সঞ্চয়পত্র, সরকারি বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ড বা শেয়ারের ক্ষেত্রে কোনো করদাতা যদি নির্ধারিত মেয়াদের আগে বা নির্দিষ্ট ধারণকালের (Holding Period) পূর্বে বিনিয়োগ নগদায়ন করেন, তবে উক্ত নগদায়নের সংশ্লিষ্ট অর্থবৎসরে ইতিপূর্বে নেওয়া রেয়াতের অংশ অতিরিক্ত কর হিসেবে পরিশোধ করতে হবে।

12/07/2026
22/06/2026

লুকানো করদাতা ও কর ফাঁকি উদঘাটনে এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক সংস্থার ডেটাবেজ যুক্ত করে ঝুঁকিভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ইউনিট (সিআইসি) ও গঠিত টাস্কফোর্স সম্পদের তথ্য যাচাই এবং জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে করের আওতা বৃদ্ধি করতে পারে।

এনবিআর যেসকল কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে:

■ তথ্যভান্ডার ও ডেটা ইন্টিগ্রেশন: বিআরটিএ (BRTA),সাব-রেজিস্ট্রি অফিস,রাজউক, এবং পাসপোর্ট অফিসের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে গাড়ি,জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের বিস্তারিত তথ্য বের করা এবং তাঁদের আয়ের উৎসের সাথে মেলানো।

■ সরাসরি ব্যাংক তথ্য যাচাই: অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময় করদাতার ব্যাংক হিসাবের জের ও লেনদেনের তথ্য সরাসরি পর্যালোচনা করে গোপন সম্পদের খোঁজ নেওয়া।

■ গোয়েন্দা নজরদারি ও অডিট: কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (CIC) মাধ্যমে সন্দেহজনক ব্যাংক হিসাব জব্দ করা ও আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করা।

■ সরেজমিন পরিদর্শন: মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় সরেজমিন তদন্ত ও বাড়ি বাড়ি জরিপ পরিচালনা করা।

■ স্মার্ট এজেন্ট নিয়োগ: নির্দিষ্ট এলাকার তথ্য সংগ্রহ করতে বা নতুন করদাতা খুঁজতে এজেন্ট বা জরিপকারী নিয়োগ দেওয়া।

09/06/2026

আগামী জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আইনে উল্লেখযোগ্য যে সকল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে:

১) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনও সময় আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের শুরুতে রিটার্ন জমা দিলে করছাড় মিলবে, আর দেরি করলে গুনতে হবে জরিমানা।

➡️ প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতা পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাবেন।

➡️দ্বিতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে কোন জরিমানা না থাকলেও বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাওয়া যাবে না।

➡️তৃতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে।

➡️চতুর্থ প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই হারে জরিমানা আরোপ করা হবে। এই অর্থ মূল করের সঙ্গে যুক্ত হবে।

২) কমছে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা:

➡️নতুন প্রস্তাবে রেয়াতের হার অনুমোদিত বিনিয়োগের ১৫% এর পরিবর্তে ১০% এবং সর্বোচ্চ সীমা ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে কর রেয়াতের আওতাভুক্ত খাতগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

৩) স্বর্ণ ও ডিজিটাল সম্পদ বিক্রিতে গেইন ট্যাক্স আরোপ:

➡️বাজেট প্রস্তাবে স্বর্ণালংকার, স্বর্ণের বার, রৌপ্য, মূল্যবান রত্ন, ধাতব মুদ্রা, ডিজিটাল মুদ্রা, চিত্রকর্ম, এন্টিকস এবং ক্লাব সদস্যপদ হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্জিত আয়কে মূলধনি সম্পদ হিসেবে গণ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় করদাতার রিটার্নে প্রদর্শিত স্বর্ণ বিক্রি করে যে মুনাফা অর্জিত হবে, তার ওপর ১৫% মূলধনি কর আরোপ করা হবে।

৪) অতিরিক্ত কর ফেরত মিলবে ৬০ দিনের মধ্যে:

➡️করদাতাদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত কর পরিশোধ হলে তা ৬০ দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

৫) ৭ সেবায় বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে:

ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী:

🎈ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব খোলা।
🎈ঋণ গ্রহণ।
🎈ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন।
🎈মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা।
🎈বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা নবায়ন।
🎈ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ গ্রহণ। এবং
🎈বিআরটিএতে প্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে।

Address

763/A, West Kazipara, Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax and VAT BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share