31/01/2026
জমি বিক্রি করার পর উৎস কর কিভাবে ক্লেইম করবেন?
-অনেকেই জমি কেনাবেচা করে ক্যাপিটাল গেইন অর্জন করেন। এক্ষেত্রে সাধারণত ক্রেতা উৎস করের টাকা দিয়ে থাকেন কিন্তু বিক্রেতা তার ফাইলে এই সুবিধাটা ভোগ করে থাকেন। এক্ষেত্রে অনেকেই বুঝতে পারেন না কিভাবে এই Source tax ক্লেইম করবেন!
সাধারণত জমি বেচাকেনার সময় পে-অর্ডারের মাধ্যমে সোর্স ট্যাক্স পরিশোধ করা হয়। বিক্রেতাকে সাধারণত ওই পে-অর্ডারের একটি অনুলিপি দেওয়া হয়। একটি সাবরেজিস্ট্রি অফিসে একদিনে যত পে-অর্ডার জমা হয় সাধারণত ঐ অফিসের নির্ধারিত একজন ব্যক্তি তার পরের দিন সবগুলো পে-অর্ডারের অর্থ একত্রিত করে একটি চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দিয়ে দেন। বিক্রেতাকে জমি বিক্রির ডকুমেন্ট নিয়ে জমি বিক্রির তিন/চার দিন পর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ওই চালান নম্বরটি সংগ্রহ করতে হবে এবং ই-রিটার্নের সংশ্লিষ্ট ঘরে উক্ত চালান নাম্বার বসিয়ে নিজের অংশ ক্লেইম করতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ, নিচের ছবিতে দেখা যাচ্ছে কোন এক বিক্রেতার কাছে এক লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার উৎস করের ডকুমেন্ট রয়েছে। তিনি ওইদিনের চালান সংগ্রহ করে দেখেন ঐ সাবরেজিস্ট্রি অফিস ঐদিনের রেজিস্ট্রিকৃত সমস্ত জমির উৎসকর বাবদ মোট ৫৩,৩৬,৮৩০ টাকা একদিন পরে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে। সুতরাং উক্ত জমি বিক্রেতাকে ই-রিটার্নের নির্দিষ্ট ঘরে ৫৩,৩৬,৮৩০ টাকা এবং ক্লেইমের ঘরে ১,৩৫,০০০ টাকা বসাতে হবে।
আমি একটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলাম, হাতে কলমে করতে গেলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। সবাইকে ধন্যবাদ।
©