02/05/2026
আপনার আয়কর ফাইল যদি অডিট তালিকায় থাকে তাহলে:
১. অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে উপ-কর কমিশনার (DCT) আপনার কাছে ব্যাখ্যা বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়ে নোটিশ পাঠাবেন। যদি ডাকযোগে নোটিশ না পান, তবে এনবিআর-এর ওয়েবসাইটে আপনার টিআইএন (TIN) দিয়ে যাচাই করুন এবং দ্রুত সার্কেল অফিসের সাথে যোগাযোগ করে নোটিশটি সংগ্রহ করুন [ধারা ১৮২ ও ১৮৩]।
২. অডিট মূলত নির্দিষ্ট তথ্যের অসংগতি (যেমন: সম্পদের গরমিল, আয়ের উৎসের অপ্রতুলতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্টের সাথে রিটার্নের পার্থক্য) থাকলেই অডিট হয়। নোটিশে ঠিক কোন বিষয়ের ওপর ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে তা ভালোভাবে বুঝে নিন।
৩. শুনানির আগে সারা বছরের সব ব্যাংক লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ,জমি, ফ্ল্যাট বা সঞ্চয়পত্রের সঠিক তথ্য ও সার্টিফিকেট, জীবনযাত্রার ব্যয় বা ব্যবসার খরচের প্রমাণাদি,রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে পিআরসি (PRC) এবং করছাড় বা টিডিএস (TDS) ক্লেইম করলে তার সপক্ষে চালান বা সার্টিফিকেট এসব ডকুমেন্টগুলো গুছিয়ে রাখুন।
৪. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্যাক্স অফিসে লিখিত জবাব দাখিল করুন,শুনানির সময় আপনি বা আপনার ট্যাক্স কনসালটেন্ট বা প্রতিনিধির মাধ্যমে যৌক্তিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করুন।
৫. আপনার দেওয়া তথ্য ও ব্যাখ্যা যদি কর কর্মকর্তার কাছে সন্তোষজনক হয়, তবে অতিরিক্ত কর আরোপ ছাড়াই অডিট সম্পন্ন হতে পারে। অন্যথায়, কর্মকর্তা আপনার আয়ের ওপর অতিরিক্ত কর ও জরিমানা আরোপ করতে পারে।
৬. অডিট থেকে বাঁচতে বা অডিট পরবর্তী ঝামেলা এড়াতে পূর্ববর্তী অন্তত ৬ বছরের আয়কর সংক্রান্ত সব নথি (ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইউটিলিটি বিল, খরচের রসিদ) নিজ হেফাজতে রাখুন।
৭. যেহেতু অডিট প্রক্রিয়াটি এখন সম্পূর্ণ ডাটা ও রিস্ক-বেসড, তাই তথ্য গোপন করা বা ভুল তথ্য দেওয়ার চেয়ে সঠিক তথ্য ও সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে অডিট আপনার জন্য সহজ ও ভীতিমুক্ত হবে।
সহায়তার জন্য যোগাযোগ
01717-400057