Accounting Practice Point , Green Road. Dhanmondi.

Accounting Practice Point , Green Road. Dhanmondi. Our Activites:
Accounting&Finance solution:
for class→
♥♥Nine-Ten.
♥♥Eleven-Twelve.
♥♥BBA(hon's/pass).

Preparation program &Model TesT(subjective) :→
♡♡Accounting
♡♡Finance
♡♡University Aid(Accounting)
Hotline:01937212128 This page will mainly focus on simple and easy yet interesting tidbits of Accounting.

06/12/2017
20/11/2017

Accounting Practice Point , Green Road. Dhanmondi.
একাউন্টিং অনেক কঠিন।হ্যা,ভাই।একাউন্টিং সত্যিই অনেক কঠিন। :) যারা অনার্সে ভর্তি হয়ে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরবে,বই কিনে টেবিলেই রেখে দিবে,পরীক্ষার আগের ৭ দিন পড়ে পরীক্ষা দিতে চাইবে,তাদের কাছে একাউন্টিং দূর্বোধ্য ও দুঃসাধ্যই!! শুধু একাউন্টিং কেন,তাদের কাছে বাংলা আরো দূর্বোধ্য! ভাই,দুনিয়াতে কোন এত সহজ সাবজেক্ট আছে,যা না পড়েই ভালো রেজাল্ট করা যায়?? পড়ালেখা এতই সহজ?? ভালো রেজাল্ট মগের মুল্লুক? প্রশ্ন আঊট করতে করতে আমরা পড়াশোনাই ভুলে যেতে বসেছি।ছোট ভাইদের উদ্দেশ্যে বলতেছি,এই একাঊন্টিং থেকেই কিন্তু সবথেকে ভালো রেজাল্ট হয়! একাউন্টিং এর শিক্ষার্থীরাও মেধাবী হয় বা হয়ে যায়।আপনি একাউনট্যান্ট হবেন,অথচ পরিশ্রম করবেন না,তা তো হয়না ভাই! :) আর এই আপনিই বড় বড় চাকরীর স্বপ্ন দেখেন।ধিক!! :/ সবশেষে একটা কথাই বলি,আন্তরিকভাবে পড়লে,একাঊন্টিং থেকে ভালো একটা রেজাল্ট করা সম্ভব।যা অন্য সাবজেক্টগুলাতে সম্ভাবনার হার কম।মনে রাখবেন,যত থিওরি,ভালো রেজাল্ট করার সম্ভাবনা তত কম।তারপরও,অনার্সের প্রত্যেকটি সাবজেক্টই কঠিন,প্রত্যেকটিই চ্যালেঞ্জিং!! এখন,পছন্দ আপনার। :)

15/11/2017

মজুদ পন্যের হিসাব রক্ষণের দুইটি পদ্ধতি আছে। একটি হল কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি অন্যটি অবিরত মজুদ পদ্ধতি।
#কালান্তিক_মজুদ_পদ্ধতিঃ যে পদ্ধতিতে সারা বছর মজুদ পন্যের হিসাব না রেখে হিসাবকালের শেষ দিন সরেজমিনে মজুদ গণনা ও লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি। সাধারণত আমরা যেই পদ্ধতিতে হিসাব রক্ষন করে থাকি সেটিই কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি। কালন্তিক মজুদ পদ্ধতিতে পন্য ক্রয়কে ব্যয় হিসাবে লিপিবদ্ধ করা হয়।
#অবিরত_মজুদ_পদ্ধতিঃ যে পদ্ধতিতে বছরের শেষ দিন একবার হিসাব না করে সারা বছর ধরে পন্য সংক্রান্ত প্রতিটি লেনদেন এর সাথে সাথেই মজুদ পন্যের হিসাব সংরক্ষণ করা হয় তাকে অবিরত মজুদ পদ্ধতি বলে। অবিরত মজুদ পদ্ধতিতে পন্য ক্রয় করা হলে তা সম্পত্তি হিসাবে লিপিবদ্ধ করা হয়।

15/11/2017

Accounting Practice Point , Green Road. Dhanmondi.
#অন্তর্দায়: মালিকের নিকট কারবারের দায়কে অন্তর্দায় বলে। অন্যভাবে বলা যায় কারবারের কাছ থেকে মালিকের পাওনাকে অন্তর্দায় বলে। যেমন: মুলধন, সাধারণ সঞ্চিতি, অবণ্টিত মুনাফা ইত্যাদি।
#বহির্দায় : মালিক ব্যাতীত বাইরের যেকোন পক্ষের নিকট কারবারের দায়কে বহির্দায় বলে। অর্থাৎ কারবারের কাছ থেকে মালিক ব্যতীত অন্য কোন পক্ষের পাওনাকে বহির্দায় বলে। যেমন : পাওনাদার প্রদেয় বিল, ব্যাংক ঋন, অনুপার্জিত সেবা আয় ইত্যাদি

16/10/2017

হিসাবের স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত এবং ডেবিট-ক্রেডিট নির্ণয়
Accounting Practice Point , Green Road. Dhanmondi.
-----------------------------------------------------
হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা (Basic Concept on Accounting) : পর্ব - ৪
আমরা হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রূপ থেকে মোট ছয়টি (৬ টি) উপাদান পাই। যেমন : সম্পদ, দায়, মূলধন, আয়, খরচ ও উত্তোলন।
এই ৬টি উপাদনকে হিসাবের স্বাভাবিক উদ্বৃত্তের ভিত্তিতে (Based on Normal balance) দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।
১. ডেবিট উদ্বৃত্ত (Debit Balance)
২. ক্রেডিট উদ্বৃত্ত (Credit Balance)
এই ৬টি হিসাবের মধ্যে তিনটি স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত ডেবিট এবং তিনটি স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত ক্রেডিট।
এখন প্রশ্ন হতে পারে কোন তিনটি ডেবিট এবং কোন তিনটি ক্রেডিট। আবার এগুলোকে দুই ভাগ করার পরও আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে কেন এগুলো ডেবিট অথবা ক্রেডিট হলো..?
এই প্রশ্নগুলো যাতে আপনার মনে আসার আগেই উত্তর পেতে পারেন সেই জন্য আমি মৌলিক একটি গাণিতিক কৌশল তুলে ধরব। মৌলিক কৌশল বললাম এই কারনে যা আগে কোন বইয়ের আমি দেখিনি।
A=L+C+R-E-D
or, A+E+D = L+C+R বীজগনিতের নিয়মে
So, L.H.S = R.H.S
So, Debit = Credit
অর্থাৎ গনিতে আমরা বামপক্ষকে L.H.S বলি আর হিসাববিজ্ঞানে আমরা বামপক্ষকে Debit বলি। পক্ষান্তরে গনিতে আমরা ডানপক্ষকে R.H.S বলি আর হিসাববিজ্ঞানে Credit বলি।
তার মানে ডেবিট এবং ক্রেডিট হচ্ছে হিসাববিজ্ঞানে ব্যবহ্রত দুটি সংকেত। হিসাবের বামপক্ষকে ডেবিট বলে। আর হিসাবের ডানপক্ষকে ক্রেডিট বলে।
তাহলে আমরা ডেবিট দিকে (বামপাশে) তিনটি হিসাব এবং ক্রেডিট দিকে (ডানপাশে) তিনটি হিসাব পেলাম।
স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত ডেবিট হিসাবগুলো হচ্ছে:
A=Assets (সম্পদ)
E= Expenses (খরচ)
D= Drawings (উত্তোলন)
সম্পদ, খরচ, উত্তোলন এই তিনটি হিসাব
বৃদ্ধি (+) পেলে ডেবিট
হ্রাস (-) পেলে ক্রেডিট
ব্যাখ্যা: উপরের সমীকরনটি লক্ষ করলে দেখা যায় A, E, D এই তিনটি উপাদান যখন বামদিকে (ডেবিট দিকে) তখন এগুলো প্লাস (+) চিহ্নযুক্ত থাকে অর্থাৎ বৃদ্ধি পায়।
পক্ষান্তরে এগুলো যখন সমীকরণের ডান দিকে (ক্রেডিট দিকে) তখন মাইনাস (-) চিহ্নযুক্ত থাকে অর্থাৎ হ্রাস পায়।
স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত ক্রেডিট হিসাবগুলো হচ্ছে:
L= Liabilities (দায়)
C= Capital (মূলধন)
R= Revenue (রাজস্ব/আয়)
দায়, মূলধন, আয় এই তিনটি হিসাব
হ্রাস (-) পেলে ডেবিট
বৃদ্ধি (+) পেলে ক্রেডিট
ব্যাখ্যা: উপরের সমীকরনটি লক্ষ করলে দেখা যায় L,C,R এই তিনটি উপাদান যখন বামদিকে (ডেবিট দিকে) তখন এগুলো মাইনাস (-) চিহ্নযুক্ত থাকে অর্থাৎ হ্রাস পায়।
পক্ষান্তরে এগুলো যখন সমীকরণের ডান দিকে (ক্রেডিট দিকে) তখন প্লাস (+) চিহ্নযুক্ত থাকে অর্থাৎ বৃদ্ধি পায়।
(A=L+C+R-E-D সমীকরণটি গনিতের নিয়মে চেষ্টা করুন আমার ব্যাখ্যার সাথে মিলে যাবে।)

14/10/2017

খুব সহজ হিসাবনিকাশ :)

রেওয়ামিলে যদি লেখা থাকে-

ভাড়া(১২০% )=৩৬০০০
বেতন(৮০% )=২৫০০০
তাহলে ভাড়া কত টাকা অগ্রিম এবং বেতন কত টাকা বকেয়া এটি কিভাবে নির্ণয় করব?উত্তরটা দিলে খুব উপকার হবে. .
উত্তর:
সবকিছুই ১০০% হয় স্বাভাবিক হিসাবকালে।
তো ভাড়া ১২০% মানে ১০০% হলো বর্তমান হিসাবকালের আর বাকি ২০% হলো অগ্রিম।
তহলে, বর্তমানের জন্য ৩৬০০০/১২০*১০০= ৩০০০০
অগ্রিম হলো ৩৬০০০/১২০*২০= ৬০০০
আর বেতনের ক্ষেত্রেও একই কথা
যদি ৮০% সমান ২৫০০০ হয়,
তো, ১০০% সমান ২৫০০০/৮০*১০০= ৩১২৫০
তার মানে বর্তমান হিসাবকালে বেতন ৩১২৫০ টাকা, দেওয়া হলো ২৫০০০ টাকা, সো, বকেয়া বেতন হলো ৩১২৫০-২৫০০০= ৬২৫০ টাকা।
Accounting Practice Point , Green Road. Dhanmondi.

ইঞ্জিনিয়ার vs ডাক্তার মজার গল্পঃএক ইঞ্জিনিয়ার কিছুতেই ভালো একটা চাকরি পেল না।তখন সে একটা ক্লিনিক খুলল আর বাইরে লিখে দিল...
10/10/2017

ইঞ্জিনিয়ার vs ডাক্তার মজার গল্পঃ
এক ইঞ্জিনিয়ার কিছুতেই ভালো একটা চাকরি পেল না।
তখন সে একটা ক্লিনিক খুলল আর বাইরে লিখে দিল – “৩০০ টাকায় যে কোন রোগের চিকিৎসা করান চিকিৎসা না হলে এক হাজার টাকা ফেরৎ”
এক ডাক্তার ভাবল এক হাজার টাকা রোজকার করার একটা দারুণ সুযোগ!
সে সেই ক্লিনিকে গেল…
আর বলল,
“আমি কোন জিনিষ খেতে গেলে তাতে কোন স্বাদ পাই না ।”
ইঞ্জিনিয়ার নিজের নার্সকে বলল, “২২ নাম্বার বক্স থেকে ওষুধ বার কর আর ৩ ফোটা খাইয়ে দাও ওনাকে।”
নার্স খাইয়ে দিল।
রুগী (ডাক্তার) – “আরে, এটা তো পেট্রোল ।”
ইঞ্জিনিয়ার – “Congratulation…. দেখলেন তো আমাদের ক্লিনিকের কামাল।
আপনি টেস্টটা জিভে পেয়ে গেছেন। এবার আমাকে আমার ৩০০ টাকা ফী দিয়ে দিন।”
ডাক্তার টাকাটা দিয়ে দিল এবং চলে গেল মনে দুঃখ আর রাগ নিয়ে।
কিন্তু ডাক্তার ভীষণ চতুর। ভাবল, একে টাইট করতে হবে আর পয়সাটাও উসুল করতে হবে।
তাই আবার কিছুদিন পর সে সেই ক্লিনিকে এল।
ডাক্তার – “আমার মেমরী কমে গেছে। কিছুই মনে থাকেনা ।”
ইঞ্জিনিয়ার – “নার্স, এনাকে ২২ নাম্বার বক্স থেকে ৩ ফোটা খাইয়ে দাও তো।”
ডাক্তার – “কিন্তু স্যার, ওটা তো স্বাদ ফিরে পাওয়ার ওষুধ”
ইঞ্জিনিয়ার – “দেখলেন তো ওষুধ খাওয়ার আগেই আপনার মেমরী ফিরে এসেছে, দিন আমার ৩০০ টাকা ।”
এবার ডাক্তার খুব রেগেই বাড়ি গেল আরও ৩০০ টাকা দিয়ে।
আবার কিছুদিন পর ক্লিনিকে এসে বলল,
“স্যার । আমার দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কমে গেছে। একদমই দেখতে পাচ্ছি না!
ইঞ্জিনিয়ার – “এর কোন ওষুধ আমার কাছে নেই । এই নিন, আপনার ১০০০ টাকা।”
রুগী (ডাক্তার) – “কিন্তু এটা তো ৫০০ টাকার নোট।”
ইঞ্জিনিয়ার – “দেখুন, আপনার দৃষ্টিও ফেরৎ এসে গেছে। দিন আমার ৩০০ টাকা।

29/09/2017

আপনি হিসাব সমিকরণ ভালভাবে বুঝেন না,
তাহলে আপনি জাবেদা ভাল পারেন না।
আপনি জাবেদা ভাল পারেন না,
তাহলে আপনি খতিয়ান সঠিক ভাবে পারবেন না।
খতিয়ান সঠিক না হলে,
রেওয়ামিল মেলাতে পারবেন না।
রেওয়ামিল না মেলাতে পারলে,
চুড়ান্ত হিসাব চুড়ান্ত ভাবে ভুল হবে।
আর আর সব কিছুই যদি আপনার ভুলই হয় তাহলে আপনি হিসাববিজ্ঞানের কি শিখলেন।
তাই সবার আগে ভাল ভাবে হিসাব সমিকরণ শিখুন। তাহলে সব কিছু ভাল ভাবে শিখবেন।
আর আপনাদের সমস্যা গুলো আমাদের কে কমেন্ট করুন। আমরা ট্রাই করব সমাধান করার জন্য।

21/08/2017

Accounting Practice Point , Green Road. Dhaka------হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা (Basic Concept on Accounting)----
আমার এই আলোচনাটা একাদশ শ্রেণীর নবীন ছাত্রছাত্রীদের হিসাববিজ্ঞান সম্পর্কে মৌলিক ধারনা দেওয়ার উদ্দেশ্য।
তাছাড়াও নবম-দশম কিংবা হিসাববিজ্ঞানের যেকোন শিক্ষার্থীদের জন্য এই আলোচনাটা অনেক কার্যকরী হবে।
আজকের আলোচনা আধুনিক হিসাববিজ্ঞান ও হিসাব সমীকরণ।
আধুনিক হিসাববিজ্ঞান বলতে আমেরিকান হিসাববিজ্ঞান (American Accounting) কে বুঝায়। পূর্বে আমাদের দেশে ব্রিটিশ হিসাববিজ্ঞান (British Accounting) এর প্রচলন ছিল যা সনাতন হিসাববিজ্ঞান নামে পরিচিত।
আধুনিক বা আমেরিকান হিসাববিজ্ঞানের মূল ভিত্তি হচ্ছে হিসাব সমীকরণ।
হিসাব সমীকরণ:
হিসাব সমীকরণ বলতে একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পদের উপর মালিক ও তৃতীয় পক্ষের দাবির গানিতিক প্রকাশকে বুঝায়।
মৌলিক হিসাব সমীকরণটি হচ্ছে:-
A=L+OE
Here,
A= Assets (সম্পদ)
L= Liabilities(দায়)
OE= Oowner's Equity(মালিকানা স্বত্ব)
> সম্পদ (Assets) :
একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন বিভিন্ন উপকরণ যায় আর্থিক সুবিধা আছে এবং ব্যবহারের উপযোগিতা আছে তাকে সম্পদ বলে।
যেমন: নগদ টাকা, ব্যাংক জমা, প্রাপ্য মজুদ পণ্য, আসবাবপত্র, দালানকোটা ইত্যাদি।
> দায় (Liabilities) :
প্রতিষ্ঠানের সম্পদের উপর মালিক ছাড়া তৃতীয় পক্ষের দাবিকে দায় বলে।(তৃতীয় পক্ষ বলতে মালিক ছাড়া অন্য যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়।)
দায় মূলত সম্পদের উপর প্রতিষ্ঠানের বাহিরের পক্ষের দাবি। তাই দায়কে বহির্দায় ( External Liabilities) বলা হয়।
যেমন: প্রদেয় হিসাব, ব্যাংক জমাতিরিক্ত, ব্যাংক ঋণ ইত্যাদি।
> মালিকানা স্বত্ব (Owner's Equity) :
প্রতিষ্ঠানের সম্পদের উপর মালিকের দাবিকে মালিকানা স্বত্ব বলে। মালিক প্রতিষ্ঠানের ভিতরের পক্ষ। তাই মালিকানা স্বত্বকে অন্তর্দায় (Internal Liabilities) বলে।
যেমন: মালিকের মূলধন।
**** নোট: ব্যবসায় স্বত্বা ধারণা ( Business Entity Concept) অনুযারী মালিক এবং ব্যবসা পৃথক স্বত্বার অধিকারী, এজন্য মালিকের মূলধনকে ব্যবসায়ের অন্তর্দায় হিসেবে গণ্য করা হয়।
পরবর্তী আলোচনা হবে হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রুপ ও হিসাবের স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত (Normal Balance) নিয়ে।

Address

Green Road
Dhaka
1205

Telephone

01811293457

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Accounting Practice Point , Green Road. Dhanmondi. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share