Income Tax Law & Return আয়কর আইন ও রিটার্ন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Income Tax Law & Return আয়কর আইন ও রিটার্ন

Income Tax Law & Return আয়কর আইন ও রিটার্ন ট্যাক্স কি ? ট্যাক্স কেন দিবো ?
ট্যাক্স রিটার্ন কিভাবে দিবো ?
জানতে হলে চোখ রাখুন এই পেইজে।
+8801521113677 Whatsapp

 # # #  যাদের TIN আছে কিন্তু আয়কর রিটার্ন দিচ্ছেন না—তাদের জন্য সতর্কবার্তাঅনেকেই মনে করেন, **আয় না থাকলে বা ট্যাক্স না ...
13/01/2026

# # # যাদের TIN আছে কিন্তু আয়কর রিটার্ন দিচ্ছেন না—তাদের জন্য সতর্কবার্তা

অনেকেই মনে করেন, **আয় না থাকলে বা ট্যাক্স না লাগলে রিটার্ন দিতে হয় না**—এটা একটি **ভুল ধারণা**। বাস্তবে:

**একবার TIN নিলে**, আইন অনুযায়ী প্রতি করবর্ষে **আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক**,

আয় শূন্য হলেও বা কর পরিশোধযোগ্য না থাকলেও Return দিতে হয়।

# # # রিটার্ন না দিলে কী হতে পারে?

যদি TIN থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত রিটার্ন দাখিল না করা হয়, তাহলে—

**আয়কর অফিস থেকে নোটিশ** জারি হতে পারে,

নোটিশের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব ও রিটার্ন না দিলে—

* জরিমানা আরোপ

* এককালীন অ্যাসেসমেন্ট

* ভবিষ্যতে ব্যাংক, পাসপোর্ট, গাড়ি, জমি সংক্রান্ত কাজে জটিলতা

দীর্ঘদিন রিটার্ন না থাকলে **ফাইল খোলা বাধ্যতামূলকভাবে তদন্তে** যেতে পারে।

# # # আইন কী বলে?

**আয়কর আইন, ২০২৩** অনুযায়ী

TIN থাকা মানেই করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত—

আর নিবন্ধিত করদাতার **রিটার্ন দাখিল করা একটি আইনি দায়িত্ব**।

এনবিআর ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে—

**TIN আছে কিন্তু রিটার্ন নেই**, এমন করদাতাদের **ডাটাবেজ থেকে চিহ্নিত করে নোটিশ দেওয়া হবে**।

# # # করণীয় কী?

আগে নোটিশের অপেক্ষা না করে **স্বেচ্ছায় রিটার্ন দাখিল করুন*

আপনার যে সকল তথ্য আছে, সেটা দিয়েই রিটার্ন জমা দিন।

করযোগ্য আয় না থাকলে আয়কর হবে না।

অভিজ্ঞ কর আইনজীবি/কর পরামর্শকের সহায়তা নিলে ঝুঁকি কমে।

# # # শেষ কথা:

**TIN থাকা মানেই দায়িত্ব আছে।**

রিটার্ন না দিলে “ধরা পড়ব না”—এই ভাবনা এখন আর বাস্তবসম্মত নয়।

24/12/2025

ই-রিটার্ন সহজ হয়েছে—কিন্তু ভুল করার জায়গা কমেনি।
ই-রিটার্ন (অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সাবমিট)
শুনতে বিষয়টা সহজ মনে হয়—
কারণ এর বেশ কিছু সুবিধা আছে।
কিন্তু একই সঙ্গে এর দায়িত্ব ও গুরুত্বও অনেক, ফলে একটা রিটার্ন সাবমিট করতে গেলে ৪ বার ভাবতে হয়🤔🤔🤔

চলুন, বাস্তব দিকটা দেখি 👇

🔹 সহজ ও সুবিধা-
✔ ঘরে বসেই রিটার্ন সাবমিট করা যায়
✔ সময় ও যাতায়াতের ঝামেলা কমে
✔ সাবমিট করলেই সাথে সাথে Acknowledgement পাওয়া যায়
✔ আগের বছরের তথ্য পরের বছরে সহজে রেফারেন্স নেওয়া যায়
✔ যাদের ফাইল ছোট ও সাধারণ, তাদের জন্য এন্ট্রি তুলনামূলক সহজ

🔹 বাস্তবতা (এটা জানা জরুরি)-
⚠ আয়ের তথ্য সঠিক খাতে ও সঠিকভাবে না দিলে—
কখনো অপ্রয়োজনীয় ট্যাক্স আসতে পারে,
আবার কখনো ট্যাক্স আসার কথা থাকলেও আসবে না
⚠ ট্যাক্স পরিশোধ করা থাকলেও আয় সঠিক খাতে না দেখালে সেই ট্যাক্স ক্লেইম করা যায় না
⚠ এন্ট্রি দেওয়ার সময় কোন তথ্য কোন জায়গায় দিতে হবে—এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভুল জায়গায় সঠিক অঙ্ক দিলেও ফলাফল ভুল হয়ে যেতে পারে
⚠ এসেটস দেখানো ও হিসাব মিলানো খুব গুরুত্বপূর্ণ—
হিসাব না মিললে রিটার্নের পূর্ণতা থাকে না
⚠ সব তথ্য এন্ট্রি করতে হয় বলে সময় লাগে
ফাইল যত বড়, সময়ও তত বেশি
⚠ একবার রিটার্ন সাবমিট মানেই একটি ঘোষণা (Declaration)
ভুল হোক বা সঠিক—তার ফল অনুযায়ী ফিডব্যাক আসবেই
তাই সাবমিটের আগে বারবার যাচাই জরুরি
⚠ এর সঙ্গে সিস্টেম-সংক্রান্ত সমস্যাও প্রায়ই থাকে

🔸 শেষ কথা
রিটার্নে অঙ্ক কম–বেশি নয়,
ভুল জায়গায় এন্ট্রি করাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
একবার সাবমিট মানেই ঘোষণা—সাবধানতা ছাড়া রিটার্ন নয়।

ই-রিটার্ন যেহেতু এখন বাধ্যতামূলক—
👉 বুঝে করুন
👉 হিসাব মিলিয়ে করুন
👉 দায়িত্ব নিয়ে করুন

ধন্যবাদ

ব্যাংকের এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, করদাতারা তাদের ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম...
10/12/2025

ব্যাংকের এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, করদাতারা তাদের ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর প্রবেশ করালেই সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবে। সংগ্রহ করা তথ্যের মধ্যে থাকবে- ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যালেন্স, বছরে মোট অর্জিত মুনাফা, সেই মুনাফার ওপর উৎসে কর কর্তনের পরিমাণ এবং একই সময়ে ব্যাংকের আরোপিত চার্জ।

তিনি বলেন, বর্তমানে যেসব করদাতার একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাদের প্রত্যেক ব্যাংকে গিয়ে এসব সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হয়, যা প্রায়ই ভুল হয় এবং অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা সৃষ্টি হয়।

তিনি আরো বলেন, এই তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহ করা হলে করদাতাদের আর এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে দৌঁড়াতে হবে না এবং জমাকৃত তথ্যের ভুল-ত্রুটি দূর হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সিস্টেমটি নিয়ে ব্যাপক ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে এনবিআর কোনোভাবেই করদাতার ব্যক্তিগত বা লেনদেন-সম্পর্কিত তথ্যের অ্যাক্সেস পাবে না।

তিনি বলেন, রিটার্ন দাখিলের সময় শুধু করদাতারাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট হওয়া ব্যাংক তথ্য দেখতে পারবেন এবং কোনো ট্যাক্স কর্মকর্তা এ তথ্য দেখতে পাবেন না।

তিনি আরো বলেন, সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো লেনদেন-স্তরের তথ্য সংগ্রহ করা হবে না। বিশদ ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হলে তা বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তদন্তের ক্ষেত্রে যথাযথ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আগের মতোই আলাদা প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে।

আবদুর রহমান খান বলেন, নতুন এ ব্যবস্থা ব্যাংক-সম্পর্কিত ঘোষণার অসঙ্গতির কারণে ফাইল পুনরায় খোলার মতো অপ্রয়োজনীয় জটিলতা রোধ করবে। উদ্যোগটি ভালোভাবে এগিয়ে চললেও এটি এই বছর চালু করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এনবিআরের নিজস্ব আইটি টিমকে শক্তিশালী করে সব ব্যাংকের ডিজিটাল সিস্টেমের সাথে নিরাপদ সংযোগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর আগামী অর্থবছরের আগেই এ সিস্টেমটি চালু করা সম্ভব হবে।

এ ব্যবস্থা সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে এবং জনগণের আস্থা তৈরিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সিস্টেমটি চালু হলে স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়বে এবং স্বাভাবিকভাবে রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।

এনবিআর চেয়ারম্যান পুনর্ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়াকে সহজ করা।

জিরো রিটার্ন দেয়ার ফলাফল(জিরো রিটার্ন বলে কিছু নাই)
11/09/2025

জিরো রিটার্ন দেয়ার ফলাফল
(জিরো রিটার্ন বলে কিছু নাই)

14/08/2025

যে সকল করদাতার ট্যাক্স ফাইল অডিটের জন্য নির্ধারিত হয়েছেন নিম্নে দেয়া হলো

https://nbr.gov.bd/uploads/news-scroller/Audit_List.pdf

10/08/2025
‘জিরো রিটার্ন এক্সট্রেমলি ডেঞ্জারাস, পাঁচ বছরের জেল’রিটার্ন দাখিল সহজ করতে অনলাইন রিটার্ন বা ই-রিটার্ন চালু করেছে জাতীয় ...
10/08/2025

‘জিরো রিটার্ন এক্সট্রেমলি ডেঞ্জারাস, পাঁচ বছরের জেল’

রিটার্ন দাখিল সহজ করতে অনলাইন রিটার্ন বা ই-রিটার্ন চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ঘরে বসে বা পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে অনলাইনে এই রিটার্ন দেয়া যায়। কিন্তু করফাঁকি দিতে অনেক করদাতা রিটার্নে কোন সম্পদ, ব্যাংকে থাকা এফডিআর, ফ্ল্যাট, বাড়ি, গাড়ি কিছুই দেখাচ্ছেন না। বাধ্যতামূলক করায় কারো মাধ্যমে বা দোকানে বসে ‘জিরো বা শূন্য রিটার্ন’ দিয়ে দিচ্ছেন। জিরো রিটার্ন নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন জায়গায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। তবে আয়কর আইনে ‘জিরো বা শূন্য রিটার্ন’ কনসেপ্ট বা কোনো নিয়ম নেই বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তিনি জিরো রিটার্নকে ‘এক্সট্রেমলি ডেঞ্জারাস’ উল্লেখ করে বলেছেন, করদাতা রিটার্নে যা কিছু ডিক্লার করেছেন, সেটা তার বক্তব্য। যদি তা মিথ্যা হয়, তাহলে আয়কর আইনে পাঁচ বছরের জেলের বিধান আছে। সহসাই জিরো রিটার্ন বিষয়ে এনবিআর থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলে জানান চেয়ারম্যান। শনিবার (৯ আগস্ট) আইসিএমএবি এর একটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনলাইনে জিরো রিটার্ন দাখিল বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে দেখলাম। একটা আলোচনায়ও আসলো যে, অনলাইনে রিটার্ন দেয়ার ক্ষেত্রে নতুন কনসেপ্ট জিরো রিটার্ন। সব কিছুতে জিরো ফিলাপ করে দিলেই হয়ে যায়।’ এটা এক্সট্রেমলি ডেঞ্জারাস উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের আয়কর আইনে জিরো রিটার্ন বলে কোন কনসেপ্ট কোন নিয়ম নেই। আপনি ট্যাক্সপেয়ার হিসেবে যা কিছু ডিক্লার করছেন, এটা আপনার বক্তব্য। এটা যদি মিথ্যা হয়, আমাদের আয়কর আইনেও আছে যে পাঁচ বছরের জেল। আমাদের অনেক আইন আছে, কিন্তু এনফোর্সমেন্ট এত দুর্বল।’
ICMAB
আমেরিকার উদাহরণ দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমেরিকার জেলে অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষ জেল খাটে করফাঁকির মামলায়। কারণ এটা প্রমাণ করা একেবারে সোজা। কোনো খুনি ১০০টা খুন করেছেন, কিন্তু প্রমাণ হয়নি-সেজন্য সে বেঁচে গেছেন। হয়ত ১০১টার সময় তিনি ধরা পড়ছেন। কিন্তু আয়করের ক্ষেত্রে তা না। খুবই সহজ। আপনার ব্যাংকে এফডিআর আছে। রাজস্ব বিভাগের কাছে তথ্য আছে। আদালতে গিয়ে রেভিনিউ অফিসার বলবেন, মাই লড, উনি জিরো রিটার্ন দিয়েছেন। কিন্তু ব্যাংকে উনার এফডিআর আছে। এই হলো তার ডকুমেন্ট। সুতরাং মিথ্যা হলফের জন্য সব দেশে আইন আছে, আমাদের দেশেও আছে যে পাঁচ বছরের জেল।’

চেয়ারম্যান সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনাদের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সকলকে বলবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সকলকে জানাবেন যে, যারা বলে দোকানে বসে বসে জিরো রিটার্ন দেয়া যায়, তা অ্যাবসুলেটলি ডেঞ্জারাস। করদাতা কিন্তু এই দায় এড়াতে পারবেন না। তিনি যদি তার ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে দিয়ে দেন-তারপর বলেন যে আমি তো দেয়নি, অমুকে দিয়েছেন-এ কথা রকম বলার কোন সুযোগ নেই। পেপার রিটার্নের ক্ষেত্রেও সুযোগ নেই, অনলাইন রিটার্নের ক্ষেত্রে মোটেও সুযোগ নেই। কারণ তাকে ডিক্লার করতে হচ্ছে, তিনি যা কিছু দিয়েছেন-তা সত্য দিয়েছেন।’
মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘আমাদের রেভিনিউ এত কম। আমরা সবাই কাজ করে এই রেভিনিউ বাড়াতে পারিনি। ট্যাক্স দিয়ে কিন্তু কেউ দরিদ্র হয় না। তবে পেনাল্ট্রি এবং জরিমানা দিয়ে অনেকে দেউলিয়া হয়ে যায়। আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, কোম্পানির মালিক জানেও না তার এমপ্লয়ীরা অতিরিক্ত করে একটা বড় আকারের মিসফাইড করে ফেলেছেন। এখন পেনাল্ট্রি যদি এমন হয় যে, এটা দিতে গিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হয়। রেভিনিউ অফিসার হিসেবে আমাদের টার্গেট হলো, ব্যবসা গ্রো করুক। তার থেকে, তার পরের জেনারেশন থেকে, তার পরের জেনারেশন থেকে আরো ট্যাক্স নেয়। আমরা যদি একটা অপরাধের কারণে বিজনেসগুলোকে মেরে ফেলি, তাহলে তো আমরা পরের জেনারেশন রেভিনিউ পাবো না।’

তিনি বলেন, বড় আকারের যারা ট্যাক্স ফাঁকি দেয়, তাদের কয়জনকে আমরা ধরতে পেরেছি। সত্যিকার অর্থে তা পারিনি। তবে আমাদের গোয়েন্দারা প্রচুর কাজ করছেন। বড় আকারের যেগুলো ট্যাক্স ফাঁকি হয়েছে, আমরা উদ্ঘাটন করে আদায়ও করছি। এদিক থেকে আমাদের সফলতা ভালো। হয়ত ভবিষ্যতে আপনারা আরো কড়া এনফোর্সমেন্ট দেখবেন।

উল্লেখিত পণ্য/সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সময়ানুগ ভ্যাট জমা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মূল্য পরিশোধের সময় এনিবিআর অনুমোদিত EFD/SDC/PKI P...
18/05/2025

উল্লেখিত পণ্য/সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সময়ানুগ ভ্যাট জমা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মূল্য পরিশোধের সময় এনিবিআর অনুমোদিত EFD/SDC/PKI POS সফটওয়্যার মেশিনের QR Code ও ডিজিটাল সাইনযুক্ত প্রিন্টেড/এসএমএস/ই-মেইলে VS Challan (মূসক-৬.৩) বুঝে নিন।

Address

Dhaka

Telephone

+8801521113677

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Income Tax Law & Return আয়কর আইন ও রিটার্ন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share